ক্রমবর্ধমান ভিডিও কনটেন্ট দর্শকদের কথা মাথায় রেখে শতকোটি ডলার ব্যয়ে অরিজিনাল ভিডিও কনটেন্ট তৈরির পরিকল্পনা করছে ফেসবুক। তারা সম্প্রতি ইউটিউবের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জোরদারে ‘ওয়াচ’ ভিডিও প্লাটফর্ম চালু করেছে।
প্রযুক্তি বিষয়ক গণমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের সূত্রমতে, ফেসবুক নিজেদের প্লাটফর্মের জন্য ২০১৮ সালের মধ্যে মৌলিক ভিডিও ও টেলিভিশন কনটেন্ট আনতে এ অর্থ ব্যয় করবে। ভিডিও প্লাটফর্মের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগের পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। এছাড়া ভিডিও স্ট্রিমিং খাতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে তাদের প্রযুক্তিগত কৌশল উন্নত করেছে ফেসবুক।
ভিডিও স্ট্রিমিং খাতে ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান ইউটিউব, অ্যামাজন ও নেটফ্লিক্স। আগামী বছরের জন্য নেটফ্লিক্স যে পরিমাণ বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, সে তুলনায় ফেসবুকের অংকটা বেশ কম। চলতি বছর ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট নেটফ্লিক্স ৬০০ কোটি ডলার ও অ্যামাজন ৪৫০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে।
ইতিমধ্যে ফেসবুক বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমের সঙ্গেও চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। শিগগিরই ‘ওয়াচ’ ভিডিও স্ট্রিমিং প্লাটফর্মে বিজনেস ইনসাইডারের দুটি নতুন অনুষ্ঠানের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। অনুষ্ঠান দুটি হচ্ছে— ‘দ্য গ্রেট চিজ হান্ট’ ও ‘ইটস কুল, বাট ডাজ ইট রিয়েলি ওয়ার্ক?’ এছাড়া এর মাধ্যমে ডিসকভারি ও এইচবিওর অনুষ্ঠান স্ট্রিমিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি খাবারের ভিডিও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেস্টমেড আগামী সপ্তাহের মধ্যে নতুন চারটি অনুষ্ঠান শুরু করতে যাচ্ছে।
ভবিষ্যতে ভিডিও প্লাটফর্মে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে ফেসবুকের। ডিজিটাল বিজ্ঞাপন এরই মধ্যে ফেসবুকের আয়ের অন্যতম খাতে পরিণত হয়েছে।









