ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে. আবদুল কালামের মৃত্যুতে সে দেশে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার যুব সম্প্রদায়ের জন্য আবদুল কালাম অনন্ত অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন বলে এক শোকবার্তায় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদসহ বিশ্ব নেতারা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পাঠানো এক শোকবার্তায় এপিজে আব্দুল কালামকে দক্ষিণ এশিয়ার যুব সম্প্রদায়ের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনন্ত উৎস বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মেঘালয়ের শিলংয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজম্যান্টে বক্তৃতা দেওয়ার সময় অচেতন হয়ে পড়ে গেলে হাসপাতালে নেয়া হয় আব্দুল কালামকে।
স্থানীয় সময় সোমবার রাত পৌনে ৮টায় লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর।
ভারতের তামিলনাড়ুর রামেশ্বারামে খুব সাধারণ এক পরিবারে জন্ম এপিজে আবদুল কালামের।
অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশুনা শেষে জীবিকার তাগিদে অল্প বয়সেই নানা পেশায় কাজ করেন আবদুল কালাম।
কর্মজীবনে বিভিন্ন বিজ্ঞান ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ভারতের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা ও সামরিক মিসাইল তৈরিতে অবদান রাখায় ‘মিসাইল ম্যান’ হিসেবে পরিচিতি পান কালাম।
পরমাণু বোমা তৈরিতে তাঁর অসমান্য অবদানের জন্য তাকে ভারতের পরমাণু শক্তির জনক বলা হয়।
অনন্য সাধারণ মানবিক গুণাবলী ও সেবামূলক কাজের জন্য অর্জন করেছেন পদ্মভূষণ ও ভারতরত্ন-সহ অসংখ্য পুরস্কার।
ভারতে বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃতে সরকার গঠন হলে ২০০২ সালে সেই সরকারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ সফর করা অকৃতদার এ বিজ্ঞানী।
আত্মজীবনী উইংস অব ফায়ারসহ ১০টি বিখ্যাত গ্রন্থ লিখেছেন তিনি।
ছাত্র সমাজ দিয়ে আদর্শ জাতি গঠনে সদা তৎপর এ শিক্ষানুরাগী জীবনের শেষ দিন ও শেষ সময় পর্যন্ত তাদের উদ্দেশে বক্তৃতা দিয়ে গেছেন।






