ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জের তাঁত পল্লীগুলো। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরনের বাহারী শাড়ি। এখানকার তৈরি শাড়ি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
তাঁত সমৃদ্ধ জেলা হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জ। বিশেষ করে শাহজাদপুর ও বেলকুচি উপজেলার উৎপাদিত বাহারী সব শাড়ী ও লুঙ্গির সুনাম দীর্ঘদিনের। ঈদকে ঘিরে তাই বাড়তি আয়ের আশায় তাঁত কারখানা গুলোতে শ্রমিকদের বেড়ে গেছে কয়েকগুণ ব্যস্ততা।
তাঁত শ্রমিকরা বলছে, এখন আমরা ১৬ ঘণ্টা কাজ করছি, তারপরেও আমাদের আরও প্রোডাকশন বাড়াতে হবে। তাঁত পল্লীগুলোতে তৈরি হচ্ছে ৫’শ থেকে প্রায় ১৮ হাজার টাকা দামের বাহারি সব শাড়ি। এবারের ঈদে শাড়ির নতুন আকর্ষণ চেন্নাই কটন, পায়েল, মিলন তিথি, পালকি, পারিজাত, ঐশ্বর্য, জয়পুরিয়া, গ্যাস কাতান, জামদানি ও জলছাপ এর চাহিদা রয়েছে সবচেয়ে বেশী।
ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে দেশজুড়ে প্রতিদিনই বাড়ছে এসব কাপড়ের চাহিদাও।
তাঁত মালিকরা বলছেন, এবার ঈদ উপলক্ষে আমরা আমাদের শাড়ীর ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন নিয়ে এসেছি।বিশেষ একটি নতুন প্রোডাকশন এসেছে সুতি শাড়ীর ভেতর সুতির কাজ। যা গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। এবং দামও সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে।
সিরাজগঞ্জে প্রায় ৫ লাখের বেশী তাঁত রয়েছে। আর এসব তাঁতে ঈদ উপলক্ষ্যে রাতদিন ব্যস্ত রয়েছেন কয়েক লাখ তাঁতী।









