বৃষ্টিতে খেয়ে নিয়েছিল তৃতীয় দিনের পুরোটা। চতুর্থ দিনে যখন ব্যাটিংয়ে এলেন প্রোটিয়ারা, রীতিমত তোপ দাগলেন ভারতীয় বোলাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩০ রানে অলআউট সাউথ আফ্রিকা। তারকাবহুল ভারতীয় ব্যাটিংয়ের সামনে জয়ের লক্ষ্য ২০৬ রান। পরে বোলারদের এনে দেয়া সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি সফরকারীরা। কোহলি এন্ড কোং লক্ষ্যের চেয়ে ৭২ রান দূরে আটকে গেছে।
কেপ টাউনের নিউল্যান্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে জিতে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে এখন ফ্যাফ ডু প্লেসিসের দল। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট গড়াবে সেঞ্চুরিয়নে, ১৩ জানুয়ারি।
সাউথ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৮৬ রান। পরের ইনিংসে ১৩০। ভারতের দুই ইনিংস সেখানে ২০৯ ও ১৩৫ রানের। প্রতিটি ইনিংসেই ছিল পেসারদের তোপ।
বৃষ্টির কারণে একদিন পরে ব্যাটিং করতে নেমে ৬৫ রানের ইনিংসকে বাকি ৮ প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান মিলে টেনে নিতে পেরেছেন কেবল একশর সামান্য উপর পর্যন্তই। আঘাতের শুরুটা করেন মোহাম্মদ সামি। দ্বিতীয় দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান হাশিম আমলা ও কাগিসো রাবাদাকে তুলে নেন এ পেসার।
বাকি কাজটা সারেন দুই পেসার ভুবেনেশ্বর কুমার ও জাসপ্রীত বুমরাহ। বুমরাহ ধসিয়ে দিয়েছেন স্বাগতিকদের মধ্যভাগ, আর লেজ ছেঁটে দিয়েছেন ভুবেনেশ্বর। দুজনের শিকার সমান ৩টি করে উইকেট।
ব্যাটিং করার সময়ই টের পেয়েছিলেন প্রোটিয়া পেসাররা, ব্যাটসম্যানদের জন্য এ উইকেট বধ্যভূমি। চোটে ডেল স্টেইনের প্রথম টেস্ট হয়ে গেছে প্রথম ইনিংসের সময়ই। বাকি তিন পেসার রাবাদা, ভারনন ফিনল্যান্ডার ও মরনে মরকেল তো ছিলেন, ছেলেখেলা করে অতিথি ব্যাটসম্যানদের গুঁড়িয়ে দিয়েছেন তারা।
সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর ছিলেন ফিনল্যান্ডার। একাই নিয়েছেন ৬ উইকেট। বাকি চারটি সমান করে পকেটে পুরেছেন মরকেল ও রাবাদা। স্রোতের বিপরীতে লড়ার চেষ্টা করেছেন রবিচন্দ্র অশ্বিন। তার ৩৭ রান কেবল ম্যাচ জিতে নিতে বিলম্ব করিয়েছে স্বাগতিকদের।










