যশোরের বেনাপোল ও শার্শা উপজেলায় সৌখিন কবুতর পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কয়েকশ তরুণ। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আগ্রহী তরুণদের। দোকান, শো রুম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে কবুতর বেচাকেনা।
শখের বশে দুয়েকটি পারিবারিক খামার থেকে এখন বেনাপোলসহ শার্শা উপজেলায় কবুতরের খামার গড়ে উঠেছে ছোটবড় প্রায় ১২শ’। দেশি জাতের লক্ষা, গিরিবাজ, লোটন, সিরাজী, ময়ূরী ও সিলভার সিরাজী এবং পলিশ আউল, মুক্কি, বিউটি হোমার, নান, শর্টফেজসহ বিদেশী প্রায় তিনশ’ জাতের কবুতর রয়েছে এসব খামারে।
যশোর শার্শার কবুতর খামারিরা বলছেন, তারা এক সময়ে শখের বসে কবুতর লালন পালন করলেও পরে তারা ব্যবসায়িকভাবেই কবুতর পালন করেন। তাদের কাছ থেকে দেশ বিদেশের অনেকেই কবুতর কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রতি জোড়া দেশি কবুতর বিক্রি হচ্ছে দুশ’ থেকে ছয় হাজার টাকায়। তবে পলিশ আউল ও মুক্কি জাতের কবুতরের জোড়ার দাম দেড় থেকে দু’লাখ টাকা। এর মাঝে রয়েছে হাজার থেকে তিন হাজার টাকা দামের নানান কবুতর।
অল্প পুঁজি নিয়ে ঘরেই গড়ে তোলা সম্ভব কবুতরের খামার। খামার শুরু করার আগে প্রত্যেক খামারিকে প্রশিক্ষণ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা।
যশোর শার্শার উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার সিংহ বলেন, শার্শা উপজেলায় দেশি কবুতরের পাশাপাশি প্রায় আট হাজার বিদেশী কবুতর রয়েছে। খামারিদের প্রশিক্ষণ আওতায় আনা গেলে তারা অধিক লাভবান হবেন।







