রোববারের আলোচিত বৃষ্টি সোমবার আর এল না। তবু একটা ঝড় বয়ে গেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ওপর দিয়ে। ম্যাককালাম আর চার্লস ‘রংপুরি ঝড়’ তুলে ফাইনালে যেতে দলকে ১৯২ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন।
আগের দিন ৪৬ রানে অপরাজিত থাকা জোনাথন চার্লস যেভাবে শেষ করেছিলেন, এদিন ঠিক সেইভাবে শুরু করেন। ৬৩ বলে ক্যারিয়ারসেরা ১০৫ রান করে দলকে লড়াইয়ের স্কোর এনে দেন। ৯টি চার, সাতটি ছয়ে এই রান করেন তিনি। তাকে সঙ্গে দেন রোববারের আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান ম্যাককালাম। চোখ ধাঁধানো সব শট খেলে ৪৬ বলে ৭৮ করে যান তিনি। তিনি একটি চারের পাশাপাশি ছয় হাঁকান ৯ টি।
এ দুই ব্যাটসম্যানের ১৫১ রান বিপিএলে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি। আগের সেরা জুটিটি ছিল শাহরিয়ার নাফীস ও ডেভিড মালানের ১৫০ রান। গত বছর বরিশাল বুলসের হয়ে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে এ জুটি গড়েন তারা।

এবারের বিদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ব্যর্থদের তালিকা করলে উপরের দিকেই থাকতেন চার্লস ও ম্যাককালাম। কেননা ৫ ম্যাচ খেলে চার্লসের সর্বোচ্চ ছিল ২৬ আর ১০ ম্যাচ খেলা ম্যাককালামের সর্বোচ্চ ছিল ৪৩। ক্রিস গেইলের (৩) ব্যর্থতার ম্যাচে রংপুরের হাল ধরেন এ দুজন।
রোববার টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমেছিল মাশরাফীর দল। এলিমিনেটরে খুলনার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা ক্রিস গেইল শুরুতেই ফিরে যান। ১০ বলে ৩ রানে মেহেদীর স্পিনে তুলে মারতে যেয়ে মালিকের হাতে ক্যাচ দেন। দলটি ৫৫ রান তোলার পর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে খেলা থেমে যায়। শুরু হয় নাটক। খেলা হবে কি না, হলেও সেটা কীভাবে হবে তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যায় বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। শেষ পযন্ত সিদ্ধান্ত হয় সোমবার একই জায়গা থেকে আবার খেলা মাঠে গড়বে।
কুমিল্লার মেহেদী হাসান চার ওভারে ৪৪ দিয়ে এক উইকেট নিয়েছেন। হাসান আলী শুধু কম রান দিয়েছেন। সমান সংখ্যক ওভারে ২৩ রান খরচায় এক উইকেট তার। তিন ওভারে ৩৮ দেন ক্রেমার। আল-আমিন ৪২ রান খরচ করে উইকেটহীন। সাইফউদ্দিন ৩৮ রান দিয়ে একজনকে ফেরান।







