বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদদের স্মরণে আলোক প্রজ্জ্বলন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যার দায় অস্বীকার করা পাকিস্তানের সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখবে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
পরাজয় নিশ্চিত জেনে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তমনা ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানী বাহিনী। বিজয়ের মাত্র একদিন আগে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহরে নিভিয়ে ফেলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের সব বাতি।
উজ্জ্বল সেই মানুষদের চেতনা জাগ্রত রাখতে রাত ১২টা ১ মিনিটে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়েল অভিভাবক। উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে পাকিস্তানী বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল পাকিস্তানের এদেশীয় দোসর আল বদর বাহিনী। ’৭১র গণহত্যা নিয়ে পাকিস্তানের মিথ্যাচার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, মিথ্যাকে কোনদিন মেনে নেবে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, যে পরিবারের সদস্যদেও হত্যা করে গণহত্যা শুরু করা হয়েছিলো তারাই(পাকিস্তানীরা) যদি বলেন গণহত্যা হয়নি এবং এর সাথে তারা(পাকিস্তানীরা) জড়িত নয় তাহলে গণহত্যা কে করেছে?
বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহরে রায়ের বাজার বদ্ধভূমিতেও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছে সর্বস্তরের মানুষ।







