টানা দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়, চার বছর পর লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধার। সব মিলিয়ে এক মৌসুমে পাঁচ শিরোপা। সেই সঙ্গে পরপর দুবার ফিফা-ব্যালন ডি অ’র ট্রফি ঘরে তুলেছিলেন রোনালদো, সেরা কোচ হয়েছিলেন জিদানও। আগেরবার রিয়াল যেখানে হাত দিয়েছে, সেখানেই এমন সোনা ফলিয়েছিল। অথচ সেই দলটি মৌসুমের মাঝপথে এসে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে অবস্থানে।
রোববার এস্পানিওলের বিপক্ষে বার্সেলোনা জয় পেলেই লজ্জার রেকর্ড দীর্ঘতর হবে রিয়াল মাদ্রিদের। নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো লা লিগার শীর্ষ স্থানে থাকা দলের সঙ্গে ২১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়বে লস ব্লাঙ্কোসরা।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে একবারই ২১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছিল রিয়াল। সেবার অবশ্য দুরবস্থা দ্রুত কাটিয়ে উঠেছিল দলটি। কিন্তু শনিবার লেভান্তের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্রয়ের পর এই রিয়াল ফিরতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা ক্লাবটির অন্ধ ভক্তেরও।
যাদের নিয়ে টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন জিদান, তারাই এখন লিগে চতুর্থ স্থানে। ২১ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্টে পাওয়া দলটির খেলা দেখে হঠাৎ হঠাৎ উঁকি দিচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ারও শঙ্কা!

এমন দুরবস্থার কী কারণ জানা নেই কারও। সমস্যাটা শারীরিক নাকি ড্রেসিংরুম; সেটা নিয়ে কত পত্রিকা কত লেখালেখি করল কিন্তু কোনো সমাধান আসল না।
লিগে এখনও বাকি আছে ১৭ রাউন্ড। এই ১৭টি ম্যাচ যেন ভক্তদের কাছে খানিকটা বোঝার মতই। আশার আলো হয়ে আছে কেবল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। সেখানেও আছে শঙ্কা। কারণ নকআউটের প্রথম পর্বেই প্রতিপক্ষ নেইমার-কাভানিদের নিয়ে গড়া পিএসজি। ১৪ ফেব্রুয়ারি ও ৬ মার্চের দুই লেগের শেষ ষোলতেও যদি হোঁচট খায় রিয়াল তাহলে একটি কথাই কেবল বলার বাকি থাকতে পারে জিদানের, ‘এই রিয়াল লইয়া আমি কী করিব!’








