ধর্মশালা, হিমাচল প্রদেশ (ভারত): আয়ারল্যান্ড ম্যাচের আগের প্রেস কনফারেন্সটা কেমন মনভাঙ্গা মনভাঙ্গা হয়ে গেলো। অথচ আগের দিনই কী একটা ম্যাচ বের করে আনলো টাইগারদের বোলিং। আলোচনা চলতে পারতো সেই বোলিং এবং আগামী ম্যাচের বোলিং পরিকল্পনা নিয়েই। সেটা একদমই হয়নি। বরং সচরাচর যেমন ঠান্ডা মেজাজের চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে দেখা যায় আজ তেমন নয়। আইসিসির এক চিঠিতে যেনো এলোমেলো হয়ে গেছে তার সকল পরিকল্পনা।
ঐচ্ছিক অনুশীলনে সব তরুণ ক্রিকেটারদেরও উপস্থিতি থাকে বেশি। কিন্তু নেটে সবচে বেশিক্ষন ব্যাটিং করে গেলেন মুশফিকুর রহিম। প্রতিটা বল যেনো একেকটার চেয়ে আরেকটা বেশি দূরে গিয়ে পড়ছিলো। ধর্মশালায় কাল আইরিশদের বিপক্ষে হয়তো আবারও নিজের পুরণো ব্যাটিংটাই করতে চাইবেন, কিছু দিন আগেও যিনি ছিলেন দলের সবচেয়ে আস্থাশীল ব্যাটসম্যান সেই মুশফিক।
কিন্তু অনুশীলনে নামার আগেই যেনো বড় ধাক্কা হয়ে এলো খবরটি। প্রেস কনফারেন্সে এসে সেটি জানালেন টাইগারদের লংকান কোচ। তার দলের দুই কার্যকর বোলিং শক্তি তাসকিন আহমেদ এবং আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশনকে ‘অবৈধ’ সন্দেহ করছে আইসিসি। সাত দিনের মধ্যে তাদের দুজনকেই বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে বলা হয়েছে। যদিও পরের দুই ম্যাচ খেলতে অসুবিধা নেই- তবুও বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।
প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পুরো বিষয়টা নিয়ে নিজের বিরক্তির কথাই বারবার শুনিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।
তিনি বলেন, এটা নিয়ে মন্তব্য করার এখতিয়ার আমি বা আমার দলের কারও নেই। কিন্তু তারা যেমন আমার বোলারদের নিয়ে উদ্বিগ্ন আমিও তাদের জন্য উদ্বিগ্ন।
চন্ডিকা বলেন, অন্তত গত ১২ মাস তার দুই বোলার তাসকিন এবং সানির বোলিং নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই।
সাত দিনের মধ্যে চেন্নাইয়ে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে সানি-তাসকিনকে। তবে আয়ারল্যান্ড ও ওমান ম্যাচের তাদের দলে রাখতে বাধা নেই।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এমন সন্দেহের চোখের বিপক্ষে কতটা স্বাভাবিক বোলিং করতে পারবেন তারা। অবশ্য তাদের উপড় আস্থা রাখছেন বাংলাদেশ কোচ।






