হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট প্রায় দু্ই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ড সর্ম্পকে এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় বিভিন্ন দেশের এয়ার লাইন্সের অফিস রয়েছে। সেখানে থাকা ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের অফিস থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ ও এয়ারপোর্টের দক্ষ কর্মীদের তৎপরতায় এ ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ থেকে পণ্যবাহী কার্গো পরিবহণে যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা চলছে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে লন্ডনের রেড লাইন কোম্পানিকে পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছে সিভিল এভিয়েশন। এমন একটি চলমান সঙ্কটের মধ্যে বিমানবন্দরের এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। একটি দেশের বিমানবন্দর দেখে সেই দেশের সার্বিক অবস্থা বিচার করে থাকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও জরিপ করা প্রতিষ্ঠানগুলো। সেসব বিবেচনায় দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং আমদানি-রপ্তানিতে গতি আনতে দেশের বিমানবন্দগুলোতে সরকারের আরও সতর্ক ও কার্যকর ভূমিকা দরকার। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আমরা আশা করি।









