কোচ মাউরিসিও সারির কথা অমান্য করে মাঠের খেলায় নামতে সরাসরি অস্বীকার করেছিলেন। যা একপ্রকার বিদ্রোহের শামিল। সেই বিদ্রোহের শাস্তি হিসেবে বড় রকমের জরিমানা গুনলেন চেলসি গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা। স্প্যানিয়ার্ড গোলরক্ষকের এক সপ্তাহের বেতন কেটে রেখেছে চেলসি।
রোববার কারাবাও কাপের ফাইনালে টাইব্রেকে চেলসিকে ৩-৪ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। টাইব্রেক নিশ্চিত হওয়ার পর মূল গোলরক্ষক উইলি কাভালেরোকে উঠিয়ে কেপাকে মাঠে নামার আদেশ দেন সারি। কিন্তু কোচের আদেশ সরাসরি অমান্য করেন স্প্যানিয়ার্ড গোলরক্ষক!
কেপাকে ছেড়ে দেবেন না সারি সেটা মাঠ থেকেই টের পাওয়া গেছে। ডাগ আউটেই একচোট তর্কে জড়িয়েছেন দুজনে। ম্যাচের পরদিনই তাই জরিমানার নোটিশ হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে কেপাকে।
নিয়মিত গোলরক্ষক থিবো কোর্তয়া রিয়াল মাদ্রিদে চলে যাওয়ার পর অ্যাথলেটিক বিলবাও থেকে ক্লাব রেকর্ড ৭১ মিলিয়ন পাউন্ডে কেপাকে দলে টানে চেলসি। তবে বেশিরভাগ সময়েই ডাগআউটে বসে থাকতে হয় বলেই ক্ষোভ জানিয়ে মাঠে নামতে অস্বীকৃতি জানান ২৪ বছর বয়সী গোলরক্ষক।
তবে বিদ্রোহের ফল যে কঠিন পরিণাম বয়ে আনতে পারে সেটা বুঝতে পেরে কোচ, সতীর্থ গোলরক্ষক কাভালেরো ও ক্লাবের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন কেপা, ‘যদিও এটা পুরোপুরি ভুল বোঝাবুঝি তারপর সেসময় আমি যে আচরণ করেছি তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’
শিষ্যের ক্ষমা গ্রহণ করেছেন সারি। এখন থেকে এ বিষয় নিয়ে কথা বলা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন চেলসি কোচ, ‘প্রতিক্রিয়া দেখানো যে মস্ত বড় ভুল কেপা সেটা বুঝতে পেরেছে। সে আমিসহ সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছে। এখন থেকে অধ্যায় বইয়ের পাতায় বন্ধ!’
কেপাকে ক্ষমা করলেও সারি নিজে আছেন চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে। শেষ সাত ম্যাচের চারটিতেই হেরেছে তার দল। প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের ছয়ে নেমে গেছে চেলসি। বাদ পড়েছে এফএ কাপ থেকে। হেরেছে কারাবাও কাপের ফাইনালেও।







