বিদেশী ঋণে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানবে’র সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিগগিরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বাংলাদেশের প্রতি জাপানের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন রাষ্ট্রদূত।
রোববার বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওতানবি এবং ওমেন চেম্বার নেতাদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী এই কথা জানান।
১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলায় নিহত বিদেশীদের মধ্যে ৭ জনই জাপানের নাগরিক। এদের মধ্যে মেট্রোরেল প্রকল্পে জড়িত ছিলেন ৩ জন। তারপর থেকেই বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
বিশেষ করে উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশী নাগরিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার দাবি ওঠে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে। সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ ব্যাপারে আবারো সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানবে।
বিদেশীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। যদিও এটি সরকারের জন্য একটু ব্যয়বহুল বলে মনে করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের যেসব এলাকায় বিদেশি প্রজেক্ট বাস্তবায়নাধীন রয়েছে সে সমস্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এবিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা হবে।’।
জাপানি রাষ্ট্রদূত অর্থমন্ত্রীকে কী বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জাপানের অর্থায়নে যেসব প্রকল্প আছে, সেগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা চেয়েছেন তিনি। আমরা তাদের নিরাপত্তা দেব। ইতিমধ্যেই পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
চলতি অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী এডিপি’র আকার ১ লাখ ১০ হাজার ৭শ’ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদেশী ঋণ থেকে পাওয়ার আশা ৩৮ হাজার ৯শ’ ৪৭ কোটি টাকা।








