ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উপজেলা উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আঞ্চলিক সমবায় ইনস্টিটিউটের মুক্তাগাছা ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ এবং শিক্ষার্থী ও সমবায়ীদের মধ্যে বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
সোমবার প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক সমবায় ইনস্টিটিউট, মুক্তাগাছার অধ্যক্ষ নূর মোহাম্মদ মামুন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উপদেষ্টা এ জেড এম ইমাম উদ্দিন মুক্তা, নারী বিষয়ক সম্পাদক নুরুন্নাহার রোজি, এম এন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামীম, মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ফেরদৌস আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম ইদ্রিছ আলী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মিহির হারুন।
অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক ছিলেন চ্যানেল আইয়ের স্টাফ রিপোর্টার ও প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সমন্বয়কারী সাংবাদিক শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ।
বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ শেষে মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উপজেলা উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক এ জেড এম ইমাম উদ্দিন মুক্তা।
এ জেড এম ইমাম উদ্দিন মুক্তা, সাংবাদিক এম ইদ্রিছ আলী ও সাংবাদিক ফেরদৌস আলমকে উপদেষ্টা করে তিন সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়।
উপজেলা কার্যনির্বাহী কমিটিতে অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে সভাপতি, শিক্ষক নেতা মো. ফজলুল হককে সহসভাপতি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মিহির হারুনকে সাধারণ সম্পাদক এবং রাশিদুল আলম শিমুলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। সুরঞ্জিত বাড়ই অর্থ সম্পাদক, আরিফুর রহমান প্রচার সম্পাদক, অতীব বৈরাগী দপ্তর সম্পাদক এবং দেলোয়ারা বেগম লাভলী নারী বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন।
এ ছাড়া কবি রোকন শাহরিয়ার সোহাগকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ক্যামেরাম্যান মোহাম্মদ ইয়ার মাহমুদকে স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং মাহবুবুর রহমানকে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। বশির উদ্দিন ও ফয়সাল আহমেদ শাহিনকে সদস্য করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। বৃক্ষ ও পরিবেশ রক্ষা করা না গেলে মানুষের অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়বে। পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের মতো বেসরকারি সংগঠনগুলোকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।










