যুবাদের বিশ্বকাপ জয়, সিনিয়রদের টেস্টে পাকিস্তান বিপর্যয়ের ডামাডোলের মাঝেই দারুণ দুটি বিসিএল ম্যাচ হয়ে গেল। সোমবার একই ম্যাচের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন সাউথ জোনের এনামুল হক বিজয়। আরেক ম্যাচে ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেও নর্থ জোনকে জেতাতে পারেননি মূলত স্পিন বোলার কাম ব্যাটসম্যান তানবির হায়দার।
সাউথ-ইস্ট
কক্সবাজারে মুখোমুখি হয়েছিল সাউথ জোন ও ইস্ট জোন। ১০ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে সাউথরা।
সাউথ প্রথম ইনিংসে ৪৮২ রানের বড় সংগ্রহ গড়ার পর ইস্ট প্রথম ইনিংসে তোলে ৩০৬ রান। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে তারা জমায় ৩৬০ রান। তাতে সাউথের সামনে পৌনে দুইশর লক্ষ্য দাঁড়ায় জয়ের জন্য।
শেষদিনে সেটি কোনো উইকেট না হারিয়েই তুলে ফেলেছে সাউথরা। প্রথম ইনিংসে ১২৯ করা বিজয় দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ১৮৭ রানের জুটিসঙ্গী শাহরিয়ার নাফিস অপরাজিত থাকেন ৬৮ রানে।
সেন্ট্রাল-নর্থ
সিলেটে দ্বিতীয় রাউন্ডের এই ম্যাচটিতে ছড়িয়েছে রোমাঞ্চ। সেন্ট্রাল প্রথম ইনিংসে ১৭০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর নর্থ জোনকে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে দেয় ১৬৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে সেন্ট্রালরা করে ৩২৫ রান।
তাতে জয়ের জন্য ৩৩০ রানের লক্ষ্য পায় নর্থ জোন। যে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তারা হেরেছে কেবল ৬ রানে।
নর্থদের স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে একাই লড়েছেন তানবির। এ স্পিনার প্রমোশন পেয়েছিলেন তিন নম্বরে নামার। কাজে লাগিয়েছেন যথার্থভাবেই। খেলেছেন ১৭৭ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস। ২০ চার ও এক ছক্কায় ৩০৭ বলে সাজানো।
বাকিদের কেউ সেভাবে সমর্থন দিতে পারেননি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে তানবির আউট হয়ে গেলে খুব কাছে থেকে ফিরতে হয় নর্থদের।
সেন্ট্রালের হয়ে শহিদুল ইসলাম নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ, মুকিদুল ও শুভাগত হোম।









