আগামী নির্বাচনের বৈতরণি পার হওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এমন রায় দেয়া হয়েছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, কিন্তু শেখ হাসিনা তা পারবে না। মানুষের প্রতিরোধে শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হবে।
এর মধ্যদিয়ে বিএনপি আরো সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। খালেদা জিয়াকে নিয়েই বিএনপি নির্বাচনে যাবে। তাকে বাদ দিয়ে এদেশে কোন নির্বাচন হবে না বলে জানান রিজভী।
বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হবেন তারেক রহমান বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার সকালে নয়াপল্টন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এটি নিশ্চিত করেন।
রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এসময় তিনি খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদির মতো রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, কয়েকবার বিরোধী দলীয় নেত্রী। বিএনপির মতো জনপ্রিয় দলের চেয়ারপার্সন।আমাদের নেত্রী কেমন আছেন, কিভাবে আছেন আমরা জানি না। এ দেশের কোটি কোটি মানুষের জনপ্রিয় নেত্রীকে আজ সাধারণ কয়েদির মতো রাখা হচ্ছে।
রিজভী বলেন, এই প্রতিহিংসার শেষ কখন হবে? আর কতোদিন প্রতিশোধ নিতে হবে? কেন এ অত্যাচারের ধারাবাহিকতা? একজন বয়স্ক মহিলার ওপর এই নির্দয় আচরণ, নির্মমতা কখন শেষ হবে?
রিজভী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আজ আমি জানতে চাই আমাদের নেত্রী কেমন আছেন, কিভাবে আছেন।
সরকারের একটি আদালত তাকে ৫ বছরের জেল দিয়েছে। সরকারি মহল আগে থেকে যেসব বক্তব্য দিয়েছে তার সঙ্গে গতকাল বিচারকের বিচারের সাথে মিলে গেছে। তার মানে এ রায় ফরমায়েশি। রায়ের পর শেখ হাসিনার যে উল্লাস তা থেকে স্পষ্ট যে এ রায় ফরমায়েশি।
দেশের মানুষ ঘৃণা ভরে এ রায় প্রত্যাখ্যান করেছে বলে দাবি করেন রিজভী। হিউমেন রাইটস ওয়াচ, জাতিসংঘ সহ বিশ্বের বিভিন্ন সংগঠন এ রায়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।
রিজভী বলেন, এর আগে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। সরকারি নির্যাতনে তিনি একটি সন্তান হারিয়েছেন। আর কতো নির্মমতা?








