সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিগ্রস্ত অংশের দিকে লক্ষ্য রেখে আগামী বাজেটে সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়ানো হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে নতুন করে আরো ১০-১১ লাখ মানুষকে অন্তর্ভূক্ত করা হবে। এজন্য দুর্যোগপ্রবণ, অতিদরিদ্র এলাকা ও জনসংখ্যার অনুপাত বিবেচনা করে ৬৪ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। সকল কর্মজীবীর জন্য সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুর রূপরেখাও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায় বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী এবং অনগ্রসর গোষ্ঠিসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক সামাজিক কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৬৮ লাখ উপকারভোগী সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় ওই সংখ্যা ৭৯ লাখে উন্নীত করার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এ খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের ১৩ দশমিক নয় দুই শতাংশ। ভাতার হার ও ভাতাভোগির সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সংস্কার কার্যক্রম পদ্ধতি সারাদেশে সম্প্রসারণের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
নতুন চমক হিসেবে এবারের বাজেট বক্তৃতায় সরকারি বেসরকারি সকল খাতের জন্যে সার্বজনীন পেনশন স্কিমের রূপরেখাও দিলেন অর্থমন্ত্রী।
গত দুই বছর ধরে বাজেট বক্তৃতায় সামাজিক সুরক্ষার আওতায় সার্বজনীন পেনশন স্কীম চালুর বিষয়ে আশার কথা শুনিয়ে আসছেন অর্থমন্ত্রী। এবার রূপরেখা দিলেন মাত্র। অর্থমন্ত্রীর দেয়া সার্বজনীন পেনশন স্কীমের রূপরেখা নিঃসন্দেহে এটি বেসরকারি খাতের কর্মজীবীদের জন্যে অনেক বড় সুখবর। তবে এর বাস্তবায়ন ও সুফল পেতে অপেক্ষায় থাকতে হবে দেশের মানুষকে।
দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:








