সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আবেদনে গত বছর ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ইউনেসকো তাদের ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। তাই এবার ঢাকার পাশাপাশি সারা দেশের জেলা, উপজেলা আর ইউনিয়ন পর্যায়ে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করা হবে। শিগগিরই এ ব্যাপারে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। জানালেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, উপসচিব ও বিভিন্ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আর পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান। আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রা উদ্যাপনের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে এক নতুন পরিচয় তুলে ধরব আমরা। আমরা প্রমাণ করতে চাই, এ দেশ সংস্কৃতির দেশ, আবহমানকালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দেশ। উগ্র মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে গোটা জাতি যে প্রত্যাখ্যান করেছে, অসাম্প্রদায়িক মঙ্গল শোভাযাত্রা সারা দেশে উদ্যাপনের মাধ্যমে তা আমরা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই।’
এখানে জানানো হয়, রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ ও চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রার মাঝে এবার বিরতি বাড়ানো হবে। সারা দেশে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রায় দুই থেকে তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে যৌথভাবে মেলার আয়োজন করবে বাংলা একাডেমি ও বিসিক।
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। দেশের প্রতিটি কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে (এতিমখানায়)বাঙালি খাবার সরবরাহ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।










