আগামী ছয় বছরের মধ্যে দেশের সব মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্যাংকিং খাতের কর্মকর্তারা। দেশে প্রথমবারের মতো ব্যাংকিং মেলায় এমনই অভিমত তুলে ধরেছেন তারা।
ব্যাংক কর্তারা মনে করেন, মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরে ব্যাংক খাতই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।
দেশে সরকারি-বেসরকারি মিলে ব্যাংকের সংখ্যা ৫৬টি। ৪ কোটি আমানতকারী লেনদেন করেন এসব ব্যাংকে। সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পখাতের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৩৪ শতাংশ যাচ্ছে ক্ষুদ্র শিল্প বিকাশে।
বাংলা একাডেমি চত্বরে ৫ দিনের মেলায় ব্যাংকের সেবা কর্মসূচি তুলে ধরার সঙ্গে অভিযোগ গ্রহণের বুথও আছে মেলায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা: রাজী হাসান বলেন, মানুষকে আরো বেশি ব্যাংকিং সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য এই প্রথম ব্যাংকিং মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রেজা ইফতেখার বলেন, ২০২১ সালের ভেতরে বাংলাদেশে যাদের ব্যাংক একাউন্ট খোলার লিগাল ফর্ম আছে তারা প্রত্যেকে যেন একটা করে একাউন্ট খোলে।
শিল্পবিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাত যে আধুনিক জীবনযাপনে নতুন নতুন সুবিধা যোগ করছে তার নানা তথ্য রয়েছে এ মেলায়।
আবু হেনা মোহা: রাজী হাসান বলেন, ডিজিটালাইজেশনের ফলে ব্যাংকিং খাতে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে সেসব মানুষকে জানানোর জন্যই এই মেলা। আলী রেজা ইফতেখার বলেন, ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সুবিধা এখানে দেখাবো। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সুবিধা এখানে দেখাবো। মানি ট্রান্সফার দেখাবো। সমস্ত ব্যাংকে যতগুলি প্রোডাক্ট অ্যাভেইলেবল আছে, সবগুলো ডিসপ্লে করবো।
২৪ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলা একাডেমি চত্বর থেকে প্রতিদিন এ মেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই।







