বাংলাদেশে এসে টুইটারে দারুণ ব্যস্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশ সফরে এসে যা যা করছেন প্রতিমুহূর্তের সেই ঘটনাগুলো টুইট করে জানিয়ে দিচ্ছেন তিনি। শুধু নিজের একাউন্ট থেকেই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল টুইটার পেজ থেকেও টুইট করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের মানুষের এবং ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা ভাষায়ও টুইট করেছেন তিনি।
বাংলাদেশ সফরের উদ্দেশ্যে রওনা হবার আগেই তিনি একটি টুইট করে বলেন, ‘বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছি। এই সফর পার্শবর্তী দুই জাতির মধ্যে বন্ধন আরো সুদৃঢ় করবে এবং দু’দেশের জনগণের জন্য আরো মঙ্গল বয়ে আনবে। সেই সঙ্গে আমাদের এই অঞ্চলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে’।
এ টুইটের ঘণ্টা তিনেক পরেই মোদি বাংলায় একটি টুইট করে। সেখানে তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশ, আমি আমার সাথে ভারতের মানুষের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা নিয়ে আসছি’। এই টুইটের একটা ইংরেজী ভার্ষন দিয়েও টুইট করেন মোদি।
এরপর বাংলাদেশের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামলে তাকে শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশের প্রধারমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই অভ্যর্থনার পর মোদি টুইটারে বাংলায় লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি একটি সুন্দর সফর আশা করছি, যা ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করবে’।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হলে তিনি সেখানকার বেশ কয়েকটি ছবি টুইটারে পোস্ট করে বলেন, স্মৃতিসৌধে তাকে সম্মানিত করা হয়েছে।
ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বাসভবন (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর নামে পরিচিত) সফর করেন। সেখানকার বেশ কয়েকটি ছবি টুইটারে পোস্ট করে বাংলায় একটি টুইট করেন।
টুইটে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, গণতন্ত্রের প্রতিমূর্তি, এক বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং ভারতের এক মহান বন্ধুকে শ্রদ্ধা’।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল টুইটার পেজ থেকেও টুইট করা হচ্ছে। সেখান থেকেও মোদি যা যা করছেন তার প্রতিমুহূর্তের আপডেট টুইট করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও এই পেজ থেকে মন্তব্য করা হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল টুইটার পেজ থেকে সর্বশেষ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সরাসরি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন নিয়ে টুইট করা হয়। এ নিয়ে বলা হয়েছে , দু’দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরো বাড়ছে।







