সারা দেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। সারা দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ বছরের পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, যা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২৫ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই বছর আগে নিবন্ধন করা প্রায় সাড়ে চার লাখ শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রথম বড় পাবলিক পরীক্ষা হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষা শেষে আগামী ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। যানজট ও ভোগান্তি কমাতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশের পূর্বনির্ধারিত অন্যান্য নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে। পরীক্ষার কাঠামো অনুযায়ী, প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশ অনুষ্ঠিত হবে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যতীত।
দুই অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। এমসিকিউ অংশের জন্য ৩০ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে বহুনির্বাচনি, সৃজনশীল এবং ব্যবহারিক এই তিনটি অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। পরীক্ষার সময় উত্তরপত্র ভাঁজ না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ওএমআর ফরম পূরণের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের প্রথমে বলপয়েন্ট কলম দিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে পরে সঠিকভাবে বৃত্ত পূরণ করতে বলা হয়েছে। সার্বিকভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।








