স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের শুভক্ষণে রংপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ–ভারত যৌথ সাইক্লিং অভিযান ২য় পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠান।
গত ১২ মার্চ যশোর সেনানিবাস থেকে এই অভিযান শুরু হয় এবং কলকাতা-বর্ধমান-পলাশী-রামকান্তপুর-মালদা-রায়গঞ্জ-কিসানগঞ্জ-শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি-বিন্নাগুড়ি-কুচবিহার-বুড়িমারী ইত্যাদি স্থান প্রদক্ষিণ শেষে ২৬ মার্চ সকালে রংপুর সেনানিবাসে এসে সমাপ্ত হয়।
এ আয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর মোট ৩০ জন সাইক্লিষ্ট সেনাসদস্য অংশ নেন।
সাইক্লিং দল যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে দীর্ঘপথ অতিক্রমের পর বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর রংপুর সেনানিবাসে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা, উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা তাদেরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ২৬ মার্চ তারিখে এই অভিযান সমাপ্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুসুলভ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
জিওসি ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার রংপুর এরিয়া মেজর জেনারেল মোঃ মাসুদ রাজ্জাক প্রধান অতিথির বক্তব্যে, মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনাদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উভয় দেশের সাইক্লিষ্টদের প্রতিনিধি এ অভিযান সম্পর্কে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।










