উন্নয়ন অগ্রযাত্রার মহাসড়কে ব্যবসায়ীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ চায় সরকার। আমেরিকান চেম্বারের মধ্যাহ্ন ভোজ সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী উদ্যোক্তাদের সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নির্ভয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগেরও অনুরোধ জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরির সাম্প্রতিক সফরের ফলে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের আস্থার উন্নতি হবে মন্তব্য করেছে মার্কিন দূতাবাস।
সোমবার বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি। সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ এ সফরে অর্থনীতি ও সামাজিক খাতে বাংলাদেশের উন্নতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।
ঠিক দু’দিন পর আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স এর আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ডেপুটি মিশন চিফ ডেভিড মিলি বললেন, কেরির সফরের খবরে স্থানীয় গণমাধ্যমে দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক তেমন গুরুত্ব পায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ডেভিড মিলি বলেন, আমার মনে হয় সেক্রেটারি কেরির সফরে অর্থনীতিতে অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অর্জন নিয়ে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন যা স্থানীয় গণমাধ্যমে অতোটা গুরুত্ব পায়নি, বেশি এসেছে নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে তার মন্তব্য। আপনাদের বলতে চাই আমেরিকাও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা করছে। আমরা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা দেখেছি, কতো দ্রুত এই দেশটা উন্নতি করেছে তাও দেখেছি। আমরা এখন ভাবছি মধ্যম আয়ের দেশে কাতারে উন্নীত হওয়ার পথে কিভাবে দুদেশের যোগাযোগ বৃদ্ধি করা যায়।
এ মাসের মধ্যাহ্ন ভোজ সভায় বিশেষ বক্তা ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী। বিনিয়োগ করেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত রচনায় ব্যবসায়ীরা অবদান রাখতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, পিপিপি’র হিসেবে বাংলাদেশ এই মুহূর্তে ৩৩ তম বৃহত্তম অর্থনীতি। বাংলাদেশের নীচে রয়েছে আলজেরিয়া, ভিয়েতনাম, ইরাক, ভেনিজুয়েলা, বেলজিয়াম, সিঙ্গাপুর, চিলি, সুইজারল্যান্ড, হংকং, পেরু, রোমানিয়া, নরওয়ে এবং কাতার। আপনারা অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করতে চাইবেন না। কিন্তু এটা বিশ্বাস করতেই হবে।এগুলো আমার কথা নয়। আমি কিছুই বানিয়ে বলছি না, এগুলো আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজ করে দেখতে পারবেন, এটা বিশ্ব ব্যাংক আইএমএফ এর তথ্য উপাত্ত।
পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই উন্নতিতে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব এ বিদেশ নীতি চালিয়ে যাবে সরকার।










