প্রথম দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানো গাপটিলকে ফেরানো গিয়েছিল ভয়ঙ্কর হওয়ার আগেই। তারও আগে মুনরোকে সাজঘরে পাঠিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বাংলাদেশ। তবে নিকোলস, টেলর, লাথামের ফিফটির পর নিশাম ও গ্র্যান্ডহোমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ডানেডিনে তিন ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩৩১ রান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিলেও ছিলেন বেশ খরুচে। ১০ ওভারে দিয়েছেন ৯৩ রান।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এমন কঠিন দিন আগে আসেনি এ বাঁহাতি পেসারের সামনে। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান দেয়ার রেকর্ডটি শফিউল ইসলামের। এ ডানহাতি পেসার ২০১০ সালে বার্মিংহামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ ওভারে দিয়েছিলেন ৯৭।
১০ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিয়েছেন একটি উইকেট। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ ওভারে ৪৩, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ১০ ওভারে ৫১, রুবেল হোসেন ৯ ওভারে ৬৪ রান দিয়েছেন। প্রত্যেকেই শিকার করেছেন একটি করে উইকেট। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২ ওভার বোলিং করে দেন ২৮ রান।
এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জিতে নেয়া নিউজিল্যান্ড শেষ ম্যাচে আগে ব্যাটিং করার সুযোগ পায়। শুরুতেই কলিন মুনরোকে (৮) এলবিডব্লিউ করে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মাশরাফী। দলীয় ফিফটি পেরিয়ে সাইফউদ্দিনের বলে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন মার্টিন গাপটিল। এ ডানহাতি ওপেনার ২৯ রান করেন ৪০ বল খেলে।
হেনরি নিকোলস ও রস টেলরের মাঝে গড়ে ওঠে ৯২ রানের দারুণ একটি জুটি। দলীয় দেড়শ পার করে মিরাজের বলে তামিমের ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন নিকোলস। এ বাঁহাতি করেন ৭৪ বলে ৬৪ রান। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চারের মার।
দুইশ পার করে রুবেলের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন টেলর। এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান করেন কিউইদের সর্বোচ্চ ৬৯ রান। ৮২ বলের ইনিংসে চার মারেন ৭টি।
জেমস নিশাম ২৪ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলে কিউইদের রান তোলার গতি বাড়িয়ে মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হন। টিম লাথাম সাজঘরে ফেরেন দলীয় রান তিনশর কাছাকাছি রেখে। ফিজের দ্বিতীয় শিকার হওয়া এ ব্যাটসম্যান ৫১ বলে করেন ৫৯ রান। হাঁকান ২টি চার ও ৩টি ছক্কা।
কলিন গ্র্যান্ডহোমের ১৫ বলে ৩৭ ও মিশেল স্যান্টেনারের ৯ বলে ১৬ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৩৩০ রানের বিশাল পুঁজি পেয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। দুই ব্যাটসম্যানই থাকেন অপরাজিত।







