আমি ছাত্রাবস্থা থেকেই দেশের বড় বড় লেখকদের কাছে যাই। তাদের উপদেশ শুনি। কিছু টিপস আমি তাদের কাছ থেকে পেয়েছিলাম—
১. কখনো বিনয় করে বলবেন না যে আপনার কবিতা কিছু হয় না। তাহলে সবাই বলবে, ও নিজেই স্বীকার করেছে ওরটা হয় না। কাজেই ও আর কী লিখবে।—কবি শামসুর রাহমান
২. ডোন্ট রুইন ইয়োর স্টোরিজ উইথ ফ্যাক্টস-সত্য ঘটনা বলে গল্প নষ্ট করো না। এটা মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে একজন মার্কিন লেখিকা বলেছিলেন।—মুহম্মদ জাফর ইকবাল।
৩. তুমি যদি কবি হতে চাও, গদ্য লিখবে না। একবার গদ্য লিখলেই কেউ আর তোমাকে কবি বলবে না।––কবি মহাদেব সাহা
৪. তুমি কেন ডাকনাম ব্যবহার করবে? আনিসুল হক তো খুব সুন্দর একটা নাম। এই নামে লেখো। তা না হলে ভবিষ্যতে পস্তাতে হবে।––কবি হেলাল হাফিজ।
৫. পড়ার বাইরে তরুণ লেখকদের জন্য আমার তিনটা উপদেশ আছে্ড়ো—পড়ো, পড়ো এবং পড়ো।—সৈয়দ শামসুল হক
৬. লেখার মধ্যে হুক থাকতে হয়। হ্যাংগার কাপড় ঝুলিয়ে রাখে, কিন্তু হ্যাংগারকে ঝুলিয়ে রাখে কে? হুক। লেখায় হুক থাকবে, যা পাঠককে আটকে রাখে।––খন্দকার আশরাফ হোসেন
৭. নাটকে থাকতে হয় নাটকীয়তা। এর পর কী? এর পর কী?—বেলাল বেগ।
৮. বড় উপন্যাস লেখো। তোমার ৫টা ছোট উপন্যাস একখানে করলেই কিন্তু একটা বড় উপন্যাস হবে। উপন্যাসে তা করা যায়।—আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
৯. তার দ্বারা লেখা হবে, যার মধ্যে বেদনা আছে, মানুষের জন্য বেদনা। আর আছে অন্য লেখকদের প্রতি শ্রদ্ধা।—আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
১০. তোমার উপন্যাসে তুমি বইয়ে পড়া অভিজ্ঞতা ব্যবহার করেছ। জীবনের অভিজ্ঞতা লেখো।—আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
১১. এত বিনয়ী হয়ো না যে আত্মবিশ্বাস চলে যায়, এত অহঙ্কারী হয়ো না যে শিল্পের ক্ষুধা চলে যায়।–––সৈয়দ শামসুল হক
১২. আমরা হাসি কাউকে অপদস্থ বা বিব্রত হতে দেখলে। (হাসির নাটক কীভাবে লিখতে হয় প্রসঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ)
১৩. কবি হতে হলে লেগে থাকতে হয়। লেগে থাকাটাই আসল–––কবি মোহাম্মদ রফিক।
১৪. যে মেয়ে লিখতে পারে, তার সঙ্গে কখনো সম্পর্কের ব্যাপারে মাত্রা অতিক্রম করবে না।–––কবি আহসান হাবীব বলেছিলেন আরেক লেখককে, আমি সেই লেখকের কাছ থেকে শুনেছি।
১৫. বড় লেখকেরা সাধারণত নিরীক্ষা করেন না, নিরীক্ষা করেন সাধারণত ছোট লেখকেরা।–––কবি সাজ্জাদ শরিফ।
১৬. রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে আমরা শিখেছি যে বাংলা ভাষা বড় বাক্য নিতে পারে না।–––অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান








