কৃষি এবং উন্নয়ন সাংবাদিকতায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় মিয়ানমারের গণমাধ্যমগুলো।
দেশটির সবচে জনপ্রিয় মিজিমা মিডিয়া গ্রুপের প্রধান সোয় মিন্ট চ্যানেল আই পরিদর্শনে এসে বলেন,
সাংবাদিকতায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে, যেখানে থেকে শেখার আছে অনেক। তিনি
তার মিডিয়া গ্রুপের জন্য চ্যানেল আই-এর হৃদয়ে মাটি ও মানুষের সহযোগিতা
চান।
দীর্ঘদিন সেনা কব্জায় থাকা মিয়ানমারের গণমাধ্যমগুলো ধীরে ধীরে বেরুতে শুরু করেছে খোলস থেকে। ভোটের মাধ্যমে পাওয়া নতুন সরকারে মিয়ানমারের মানুষ যখন গণতন্ত্রের আভাস পাচ্ছে তখন গণমাধ্যম কর্মীরাও নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছেন নতুন করে।
সরকারি পর্যায়ে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি তাই মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর জোড় দিচ্ছেন তারা। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সফরে চ্যানেল আইয়ে আসেন মিয়ানমারের মিজিমা গ্রুপের প্রধান সম্পাদক। কথা বলেন, চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজের সঙ্গে।
মিজিমা মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সোয় মিন্ট বলেন, বাংলাদেশের মতো মিয়ানমারও কৃষি নির্ভর দেশ। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেশের বিচ্ছিন্নতা পরিস্থিতির থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছি। তাই কৃষির ওপর জোর দিতে বাংলাদেশের চ্যানেল চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে কাজ করতে আমরা আগ্রহী।
মিয়ানমারের জনপ্রিয় এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব জানান, হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানটির আদলে তিনিও একটি অনুষ্ঠান আয়োজনে আগ্রহী। তার জন্য সহযোগিতা চান তিনি।
সোয় মিন্ট আরও বলেন, চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের মধ্যে হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অন্যতম। এ অনুষ্ঠান দেশের কৃষির উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। মিয়ানমারের জনগণের জন্য এই রকমের একটি কৃষি উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান করতে চাচ্ছি যার জন্য চ্যানেল আইয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের জনগণের জন্য কৃষির উপরে আমরা ‘দ্য ফার্মার’ নামে একটি অনুষ্ঠানও করে থাকি। এই অনুষ্ঠানকে আরও কৃষিভিত্তিক করে তুলতেই আমরা চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে কাজ করতে চাই।
পরে মিজিমার প্রধান সম্পাদক চ্যানেল আইয়ের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখে জানান, একটি আদর্শ গণমাধ্যমের চরিত্র আছে চ্যানেল আইয়ের।










