বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নে রাশিয়া সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার এ নিকোলায়েভ। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করতে এসে একথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত তার চার বছর দায়িত্বপালনের সময় বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক এগিয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ২০১৩ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাশিয়া সফর দুদেশের সস্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বাংলাদেশ-রাশিয়ার সম্পর্ক ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদুত। এসময় তিনি পারস্পরিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির ওপড় গুরুত্বারোপ করেন।
পাশাপাশি বানিজ্য, অর্থনীতি, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে প্রস্তাবিত আন্ত-সরকার কমিশনের ওপড়ও গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়ার ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। যুদ্ধ-বিধ্ধস্ত বাংলাদেশ গঠনে রাশিয়ার ভূমিকা বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরকে মাইনমুক্ত করার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ উল্লেখ করেন তিনি।
এ সহযোগিতার জন্য রাশিয়ার জনগণের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের শ্রদ্ধার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যারা আমাদের পাশে ছিলেন তাদের সবসময় আমরা স্মরণ করি।
দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখা ও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যেতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পারস্পরিক বানিজ্য বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। তবে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য আরো বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।
রুপপুর পারমানবিক নির্মানে সহযোগিতার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।







