আরেকটি মুম্বাই হামলার মতো নারকীয় ঘটনা রোধ করতে ভারতের সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা দিয়ে উজানের দিকে যাওয়া বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন ভারতের নৌ অফিসার-ইন-চার্জ (পশ্চিম বঙ্গ) কমোডোর রাভি আহলুয়ালিয়া।
বৃহস্পতিবার এক বক্তব্যে শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, হেমনগর চেকপয়েন্ট দিয়ে ভারত উপকূলে প্রবেশ করা কিছু সংখ্যক বাংলাদেশী জাহাজ উজানে হুগলি দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আহলুয়ালিয়া বলেন, সম্প্রতি এ দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী রিভার সি ভেসেল (আরএসভি) ক্যাটাগরির জাহাজগুলো বাংলাদেশ-ভারত উপকূলীয় পরিবহনে ব্যবহার করা হবে। এই জাহাজগুলোতে ট্রান্সপোন্ডার (রেডিও সিগনাল গ্রহণ এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিন্ন সিগনাল প্রেরণের যন্ত্র) থাকবে না।
দুই দেশের সামুদ্রিক পরিবহনের ক্ষেত্রে স্বার্থ রক্ষার্থে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার এই সুবিধা রাখা উচিত বলে জানান তিনি।
ট্রান্সপোন্ডার স্থাপন করাকে আবশ্যিক শর্ত করার ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে আশাবাদী রাভি বলেন, অন্যথায় আমরা আবারও মুম্বাই হামলার মতো ঘটনা ঘটতে দেখবো।
২৬/১১ এর সেই হামলা সংঘটনকারী সন্ত্রাসীরা শহরে প্রবেশে সমুদ্র পথ ব্যবহার করেছিলো বলে উল্লেখ করেন তিনি।
২০০৮ সালের নভেম্বরের ২৬ তারিখে সংঘটিত নারকীয় সেই হত্যাযজ্ঞে ১৬৪ জন নিহত এবং কমপক্ষে ৩০৮ জন আহত হয়।







