বরাবরের মতই বিজয় দিবসের উৎসবের কেন্দ্রে পরিণত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এখানে না আসলে যেন পুর্ণতা পায় না বিজয়ের উৎসব। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। লাল-সবুজে জড়িয়ে নারী-পুরুষ, শিশু-বয়স্কোসহ সব শ্রেণির মানুষের সমাগম ঘটে। তাদের বেশিরভাগের পরনেই লাল-সবুজ পোশাক। এত মানুষের মিলনমেলা, চারিদিকে উৎসবের আমেজ এবং পরনে লাল-সবুজ পোশাক দেখে নেপালি শিক্ষার্থী অক্ষ রায় বললেন, ‘বাংলাদেশি পিপল আর ভেরি প্যাট্রিয়ট।। দে লাভ দেয়ার কান্ট্রি ভেরি মাচ।’
অক্ষ রায়ের সঙ্গে ছিলেন তার আরও চার বান্ধবী তারা স্বদেশী প্রতীক্ষা অধিকারী, বেদানা রায় এবং গ্রিসের মারিয়ামও ছিলেন। এরা সবাই চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন’র শিক্ষার্থী।
সহপাঠীদের কাছ থেকে জেনেছেন বাংলাদেশের বিজয় দিবসের কথা। তাদের কাছ থেকেই শুনেছেন দেশের সবচেয়ে বড় মিলনমেলা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। গুগল ম্যাপে ক্যাম্পাসের অবস্থান দেখে চলে এসেছেন পাঁচবান্ধবী মিলে। ঘুরে ফিরে দেখছিলেন চারিদিক। লোকজনের কাছে জিজ্ঞেস করছিলেন শহীদ মিনারের অবস্থান। এমন সময় তাদের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।
অপাজেয় বাংলার সামনে দাঁড়িয়ে চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে নিজের অনুভূতি জানিয়ে অক্ষ রায় ইংরেজিতে আরও বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব একটা না জানলেও সহপাঠীদের কাছ থেকে জেনেছি আজকে তোমাদের বিজয় দিবস। তাই আমরা দেখতে এসেছি।

লাল সবুজের পোশাকে সবাইকে সুন্দর লাগছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমার মনে হয় বাংলাদেশিরা খুব দেশ প্রেমিক। তাদের মাঝে এমন উৎসবের আমেজ দেখে ভালো লাগছে।
গ্রিসের শিক্ষার্থী মারিয়াম এক কথায় অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, সবাইকে দেখে আমি খুবই আনন্দ বোধ করছি।
নেপালের আরেক শিক্ষার্থী বেদানা রাই বলেন, লোকজনকে দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ খুব উৎসবপ্রিয়। তাদের বিজয় দিবসের উদযাপণ দেখে ভালো লাগছে।
নিজেদের অনুভূতি জানিয়ে সবাই মিলে অপরাজেয় বাংলারে সামনে দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন তারা।







