এ যেন ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচের কার্বন কপি! ধ্বংসাত্মক সূচনা এনে দিলেন দুই ওপেনার। বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেলেন জনি বেয়ারস্টো। তারপরও নিউজিল্যান্ডকে ৩০৬ রানের বেশি লক্ষ্য দিতে পারল না ইংল্যান্ড। ৮ উইকেটে স্বাগতিকদের রান উঠল ৩০৫।
দুইদিন আগে ভারতের বিপক্ষে এজবাস্টনে প্রথমে ব্যাট করে উদ্বোধনী জুটিতে ১৬০ রান তুলেছিলেন দুই ইংলিশ ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। চেস্টার-লি-স্ট্রিটের রিভার সাইড গ্রাউন্ডে বুধবারও টস জিতে স্বাভাবিকভাবে আগে ব্যাট করল ইংল্যান্ড। এজবাস্টনের ম্যাচকে মনে করিয়ে এদিনও একশো পেরোনো রান তুললেন রয়-বেয়ারস্টো।
ভারত ম্যাচে ৬৬ করে আউট হয়েছিলেন রয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করলেন ৬১ বলে ৬০। তাতে ভাঙে বেয়ারস্টোর সঙ্গে তার ১০৯ বলে ১১৮ রানের জুটি।
রয়কে হারানোর পর জো রুটের সঙ্গে জোড়া বাঁধেন বেয়ারস্টো। দুজনে মিলে তোলেন ৭১ রান, যেখানে রুটের অবদান মাত্র ২৪! তবে কাজের কাজটা ততক্ষণে হয়ে গেছে, ৯৫ বলে ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন ডানহাতি বেয়ারস্টো।
সেঞ্চুরি পাওয়ার পর আর লম্বা হয়নি বেয়ারস্টোর ইনিংস। ম্যাট হেনরির বলে বোল্ড হয়ে থেমেছেন ১০৬ করে। ইংলিশ ওপেনারের ৯৯ বলের ইনিংসটিতে ১৫ চারের সঙ্গে ছয় ছিল একটি।
বেয়ারস্টো ফেরার পরপরই ছোটখাটো ধস নামে ইংল্যান্ডের মিডলঅর্ডারে। জস বাটলার (১১), বেন স্টোকস (১১) কেউই তাদের ব্যাটকে এদিন চওড়া করতে পারেননি। আর রুট তো ফিরেছেন বেয়ারস্টোর আগেই ২৪ করে।
শেষদিকে অধিনায়ক ইয়ন মরগানের ৪০ বলে ৪২ এবং লিয়াম প্লাঙ্কেট-আদিল রশিদের ২৯ রানের ছোট জুটিতে তিনশো পেরোয় ইংল্যান্ড।
কিউইদের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি ও জিমি নিশাম নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। মিচেল স্যান্টনার ও টিম সাউদির উইকেট একটি করে।








