বাংলা বর্ষবরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালাকে নির্বিঘ্ন করতে রাজধানী জুড়েই ছিলো ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রমনা পার্ক ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
ভোরের আলো ফোটার আগেই নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয় রমনা পার্ক এলাকা। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা হয়। আশেপাশের সব রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়ে বিভিন্ন মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ। সবাইকে তল্লাশির পর দীর্ঘপথ পায়ে হেঁটে মূল অনুষ্ঠানস্থলে যেতে হয়। ৮টি প্রবেশ পথেও আর্চওয়ে বাসানো হয় ।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, রমনা বটমূলকে ঘিরে ছিলো সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা বেষ্টনি। লেকে স্পীডবোর্ড নিয়ে নৌবাহিনীর টহল দলের পাশাপাশি উঁচু টাওয়ার বসিয়ে সার্বক্ষণিক অনুষ্ঠানস্থল নজরদারি করেছে র্যাব-পুলিশ। গোটা এলাকা সিসিটিভি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নজরদারি করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে বিপুল সংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়ন রয়েছে। ডগস্কোয়াড, বোম ডিস্পোজাল ইউনিট মোতায়ন করে আকাশপথেও দিনভর টহল দিয়েছে র্যাব।
রমজানের কারণে এবার দুপুর ২টার মধ্যে সব অনুষ্ঠান শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেয় সরকার। এবারণে দুপুর ১টার পর থেকেই রমনাপার্ক এলাকায় ধীরে ধীরে জনসমাগম কমতে থাকে।








