রাজধানীর শাহবাগ এলাকা এখন বেশ রমরমা। শাহবাগে পা রাখলেই বোঝা যাচ্ছে সামনেই বড় উৎসব। নববর্ষকে বরণ করে নেয়ার জন্য প্রকৃতিও যেন জারুল আর কৃষ্ণচূড়ায় নিজেকে সাজিয়ে নিয়েছে সেখানে। একনজরে দেখে নিন চারুকলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির কিছু ছবি।

চারুকলার পথে পা বাড়ালেই দেখা যাচ্ছে রঙ তুলি হাতে প্রাচীর রাঙানোর কাজ চলছে। প্রাচীরগুলোকে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী নকশায় রাঙ্গিয়ে তুলছে শিক্ষার্থীরা।

ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়লো কড়া নিরাপত্তা। ব্যাগ তল্লাশি করে প্রবেশ করতে হচ্ছে সবাইকে। প্রথমেই চোখে পরে সাজিয়ে রাখা সারি সারি ছবি এবং কাগজের মাছ-পাখির দিকে।

সাজানো ছিল নববর্ষের কার্ড। অনেকেই প্রিয়জনের জন্য উপহার হিসেবে কিনছেন এগুলো।পট-চিত্র সাজিয়ে রাখা হয়েছে এক পাশের দেয়ালে। চোখ ধাঁধানো রঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানান নকশা।

মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল আকর্ষণ হলো মুখোশ। চলছে মুখোশ তৈরির প্রক্রিয়া।মাটির ছাঁচে কাগজ পেস্টিং করে তৈরি করা মুখোশের আকৃতিগুলোর কিছু শুকানো হচ্ছে আবার কিছু রঙ করার কাজ চলছে।

চারিদিকে শুধু রঙ আর রঙ। রঙ এর সাথে রঙ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন কোনো রঙ। কিংবা কাজ করতে করতে শেষ হয়ে যাওয়া রঙ এর বাটিতে আবারও গুলিয়ে নেয়া হচ্ছে রঙ। এই গরমেও নিরলস ভাবে কাজ করছে ছাত্রছাত্রীরা।

মাঠে চলছে দেশীয় মাটির এবং কাঠের পুতুলের নকশার আদলে বড় প্রতিকৃতি তৈরির কাজ।বাঁশের কঞ্চিগুলোকে দড়ি দিয়ে বেঁধে তার ওপর কাগজ বসানোর কাজ চলছে। এরপর শুরু হবে রঙ করার পালা।

যেই পুতুলের আদলে প্রতিকৃতি তৈরি করা হচ্ছে সেটা সামনেই রাখা হয়েছে। নিখুঁত ভাবে প্রতিকৃতি তৈরির জন্যই সামনে রাখা হয়েছে পুতুলগুলো।

শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দ নিয়ে দলবেঁধে কাজ করছে। সারাদিন এমনকি সারা রাতও কাজ চলছে চারুকলা প্রাঙ্গণে। নববর্ষের প্রস্তুতি দেখতে প্রচুর দর্শক ভিড় করছেন সেখানে। প্রাক্তনরাও ঘুরে বেড়াচ্ছেন সেখানে। নিজেদের স্মৃতি রোমন্থন করতে বেড়াতে আসছেন তারা।










