একটা সময় ছিল যখন বিদেশি চটকদার কোনো খেলনা পাওয়া যেত না। দেশের শিল্পীদের তৈরি কাপড়ের, মাটির কিংবা কাঠের পুতুল দিয়ে খেলে বড় হতো শিশুরা। রঙিন এই পুতুলগুলো উঠত বৈশাখের মেলায়। মেলা নিয়ে পুতুলের কারিগরদের থাকতো বাড়তি প্রস্তুতি। এছাড়াও বাজারের দোকানে কিংবা ফেরিওয়ালারাও বিক্রি করতো দেশীয় খেলনা।
সময় বদলেছে। এখন হাত বাড়ালেই সুলভে পাওয়া যায় বিদেশি খেলনা। চটকদার এসব খেলনার পাশে ফিকে হয়ে গেছে দেশিয় খেলনাগুলো। ব্যবসা হয়না বলে কারিগর ছেড়ে দিচ্ছেন পূর্বপুরুষের পেশা। তাই হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ঐতিহ্য
দেশের শিল্পের সাথে সন্তানকে পরিচয় করিয়ে দিতে ছোট বেলা থেকেই তাদেরকে উপহার দিন দেশীয় খেলনা। সম্ভব হলে যেখানে খেলনাগুলো তৈরি করা হয় তাদের কাছে সন্তানকে নিয়ে যান। এতে খেলনাগুলোর প্রতি সন্তানের আগ্রহ বাড়বে। এছাড়াও নগরে বিভিন্ন সময় দেশীয় পণ্যের মেলা বসে। সেখানেও বেড়াতে নিয়ে যান তাকে।

পুরাতন নকশার পাশাপাশি এখন নতুন নতুন নকশার বৈচিত্র্যময় খেলনা পাওয়া যায়। দোয়েল চত্বরে গেলে এক যায়গায় মিলবে হরেক রকম খেলনা। এছাড়াও আড়ং এ সারা বছরই পাওয়া যায় নানান রকমের দেশীয় খেলনা।
ক্ষতিকর কেমিকেল যুক্ত বিদেশি প্লাস্টিকের খেলনাগুলো সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। তাই বিদেশি খেলনার বদলে সন্তানকে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিন।










