মতামত

বন রক্ষকেরা যেনো বনখেকো না হয়

বন রক্ষকেরা যেনো বনখেকো না হয়

২২ এপ্রিল, ধরিত্রী দিবস। গাছ লাগানো ও সংরক্ষণকে উৎসাহিত করতে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘ট্রীজ ফর দি আর্থ’ বা ‘ধরিত্রীর জন্য বৃক্ষ’। আর্থ ডে নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগে ১৯৭০ সালে দিবসটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপিত হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী দিবসটি ছড়িয়ে পড়ে।

১৯৯০ সালে প্রায় দেড়শ দেশে ২০ কোটি মানুষ দিবসটি উদযাপন করে। গত দু’দশক পৃথিবীর প্রায় সব দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। তবে ২০০৫ সালের জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ এর ঘোষণা এবং ২০০৮ সালে ‘ধরিত্রী বর্ষ’ উদযাপনকে বিবেচনায় নিয়ে ২০০৯ সালে ২২ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম প্ল্যানারি সভায় ‘ইন্টারন্যাশনাল মাদার আর্থ ডে’র আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এরপর শুধু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, জাতিসংঘ ও সব দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ এ দিবসটির উদযাপনে সম্পৃক্ত হয়।

জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তনে পৃথিবী উত্তপ্ত হচ্ছে। একদিকে বরফ গলছে, অন্যদিকে মরুময়তা বাড়ছে। মূলত মানুষের অপরিকল্পিত, বিধ্বংসী, ও লোভী উন্নয়নে ধ্বংস হচ্ছে বন ও জলাশয়, প্রকৃতি ও পরিবেশ। জ্যামিতিক হারে মানুষ বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান মানুষের বাসস্থান, যোগাযোগ অবকাঠামোসহ অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে কমছে বন ও জলাশয়ের পরিমাণ। দ্রুত নিঃশেষিত হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদ।

বিশ্বব্যাপী মানুষের লোভী কার্যকলাপের ফলে জলবায়ু যে হারে উত্তপ্ত হচ্ছে, এ ধারা যদি অব্যাহত থাকে তবে আগামী প্রজন্মকে চড়া মাশুল দিতে হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। সে আশংকা দূর করতে যে পরিমাণ আন্তরিকতা দরকার, অনেক বৈশ্বিক নেতার মধ্যেই তার ঘাটতি রয়েছে। তবু ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমাতে গত বছরের শেষ দিকে প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে ১৯৬টি দেশ এক হয়েছে।

সে লক্ষ্যে জাতিসংঘসহ পৃথিবীর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। তাপমাত্রা কমাতে অন্য অনেক জরুরি বিষয়ের পাশাপাশি অধিক বৃক্ষরোপন জরুরি। কারণ, গাছ একদিকে বাতাসে বিদ্যমান ক্ষতিকর কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে জলবায়ুকে শীতল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এরই অংশ হিসাবে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান আর্থ ডে নেটওয়ার্ক আগামী চার বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ২০২০ সালে ৫০তম আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবস (২২ এপ্রিল) উদযাপনের প্রাক্কালে পৃথিবীতে ৭৮০ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

গাছ প্রধানত তিন ধরনের, ফলজ, বনজ ও ঔষুধি। এর বাইরে নানারকমের ফুলের গাছ রয়েছে যা প্রধানত মানুষের মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টি করে। গাছের দৃশ্যমান যে উপকার মানুষ পায়, তা হচ্ছে গাছ থেকে ফল, ঔষুধ ও গৃহস্থালি কাজের প্রয়োজনীয় কাঠ (জ্বালানি ও আসবাবপত্র) পাওয়া যায়। সব রকমের গাছ লাগানো ও পরিচর্যার মাধ্যমে দরিদ্র কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে, অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হতে পারে।

ফল মানে পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি  মানুষের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। রাজশাহী অঞ্চলে আমের বাগান, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে লিচুর বাগান এবং সিলেট অঞ্চলে চা বাগান বাণিজ্যিকভাবে হচ্ছে। ভাওয়ালগড় এলাকায় (গাজীপুর ও টাঙ্গাইল) এক সময় কাঠালের চাষ হতো। পেয়ারা, বরই-ও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়। কলা, আনারসের মত একফসলি ফলও পুষ্টিকর। বাণিজ্যিকভাবে ফল গাছ লাগানো থেকে শুরু করে পরিচর্যা, ফল সংগ্রহ ও বিপণন বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়।

এছাড়া যশোরসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুল গাছ বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। যেসব গাছ থেকে ফুল হয়, সেসব ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা করে, সেই মধু সংগ্রহ করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করে।

ঔষুধ রোগবালাই দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। কয়েক ধরণের ঔষুধি গাছও বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়। যেসব গাছ শুধু কাঠ হিসাবে ব্যবহার হয়, সেসব গাছের এককালীন মূল্য সবচাইতে বেশি। সেগুন, মেহগনি ইত্যাদি নানারকম গাছ আসবাবপত্রের জন্য উপযোগী ও মূল্যবান। কাঠের বহুমাত্রিক ব্যবহার রয়েছে। কয়েক রকমের গাছ মূলত জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হলেও ফল কিংবা কাঠ হিসাবে ব্যবহৃত গাছ থেকেও প্রতিবছর জ্বালানি সংগ্রহ করা যায়। এছাড়া গাছ থেকে কাগজ, পেন্সিল, রাবার, তুলা, সুতা, রং, দিয়াশলাই, পার্টিকেল বোর্ড, হার্ডবোর্ড-এর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদিও তৈরি হচ্ছে।  

তবে গাছের অদৃশ্যমান উপযোগীতা বর্ণনাতীত। যেমন: গাছ অক্সিজেন দেয়, যা আমরা নিশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করে বেঁচে থাকি। অন্যদিকে মানুষ, যানবাহন ও কলকারখানা থেকে নির্গত ক্ষতিকর কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে গাছ বাতাসের দূষণ কমাতে প্রধান ভূমিকা রাখে। এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২৬ হাজার মাইল চলাচলে যান্ত্রিক গাড়ি (প্রাইভেট কার) জ্বালানি ব্যবহারের কারণে বাতাসে যে পরিমাণ কার্বন সৃষ্টি করে তা মাত্র এক একর জমিতে পূর্ণবয়সী গাছ শোষণ করে নিতে পারে। শুধু কার্বনই নয়, বাতাসের অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান ও দুষণকারী গ্যাস যেমন নাইট্রোজেন অক্সাইড, এমোনিয়া, সালফার ডি অক্সাইড, ওজন ইত্যাদি পাতা ও বাকলের মাধ্যমে পরিশোধন করে।

গাছ মরুময়তা প্রতিরোধ ও বৃষ্টির পানি ভূগর্ভে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। বাতাস ঠান্ডা রাখে। গাছ বেশি থাকলে বৃষ্টিও হয়। সম্প্রতি (১১ থেকে ১৮ এপ্রিল) পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ঢাকার বিভিন্ন এলাকার তাপমাত্রা নীরিক্ষা করে। যা এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ঢাকার তাপমাত্রা ক্রমবর্ধমান। মানুষের চাহিদা মেটাতে ভবন ও সড়ক নির্মাণ, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বিলাসী জীবনযাপনের (শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার) আধিক্য বাড়ছে। ফলে গাছ ও জলাশয় কমছে। রমনা পার্ক (ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ধানমন্ডি লেকে গাছ ও জলাশয় থাকায় গুলিস্তান-মতিঝিল এর চাইতে তাপমাত্রা কম। পবা যে কয়টি সুপারিশ করেছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সব উন্মুক্ত স্থানে (সড়কের দু’পাশ ও মধ্যবর্তী স্থান, খেলার মাঠের চারিদিক, সব জলাশয়ের পাড়, অফিস-আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খোলা জায়গা এবং ভবনের ছাদ) গাছ লাগানো ও জলাশয় সুরক্ষা। এছাড়া শোভবর্ধনের জন্য বিদেশী গাছ না লাগিয়ে দেশী ফলজ গাছ লাগানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে পবা।   

বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য অনেকগুলো আইন রয়েছে। এর মধ্যে ‘বন আইন ১৯২৭’ বৃটিশ শাসনামলে প্রণীত। ১৯৮২ সালে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়, যা ‘আটিয়া ফরেস্ট প্রটেকশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২’ নামে পরিচিত। এছাড়া বনের উপর নির্ভরশীল প্রাণীদের সুরক্ষায় ‘বন্যপ্রাণী (ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২’ এবং ইটভাটায় বৃক্ষের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণকল্পে ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩’ উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় বননীতি প্রণয়ন করা হয়েছিলো। ১৯৯৫ সালে পরিবর্ধিত বননীতি পাস হয়, যা ‘জাতীয় বননীতি ১৯৯৪’ নামে পরিচিত। এছাড়া বনজ সম্পদকে কেন্দ্র করে প্রণীত অনেকগুলো আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর ও অনুস্বাক্ষর (র‌্যাটিফাই) করেছে বাংলাদেশ। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এসব আইন, নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক সনদের বাস্তবায়ন অত্যন্ত দুর্বল।

বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল সুন্দরবনের নিকটবর্তী রামপালে কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দিকে এগুচ্ছে সরকার যা সুন্দরবনের স্বাভাবিকত্ব নষ্ট করবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ভারী নৌযান চলাচলও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। ইতোপূর্বে একাধিকবার তেলবাহী নৌযান ডুবে বনের বিশেষ ক্ষতিসাধণ করেছে। যদিও সম্প্রতি সরকার বনের অভ্যন্তর দিয়ে নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে।

এছাড়া ভাওয়ালগড় নামে পরিচিত বনাঞ্চল প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। এ বন একদিনে বা এক রাতের আঁধারে কমে যায়নি। প্রশাসনের ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় ধীরে ধীরে এ বন ধ্বংস হয়েছে। পার্বত্য এলাকার বনজ সম্পদও মারাত্মকভাবে কমছে। এরমধ্যে তামাক পাতা প্রক্রিয়াজাত করণের কাজে (বিশেষ ঘরে আগুনের তাপে তামাক পাতা শুকানো) দেশের ৩০ভাগ বনজ সম্পদ কমছে বলে এক গবেষণায় বলা হয়েছিল। কিন্তু তামাক পাতা প্রক্রিয়াজাত করণে গাছের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে এখন পর্যন্ত কোন আইন হয়নি।

তামাক পাতা প্রক্রিয়াজাত করণের কাজে গাছের বহুল ব্যবহারকে ধামাচাপা দিতে সামাজিক বনায়নের নামে বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) সহ বিভিন্ন তামাক কোম্পানি ইপিল ইপিল ও ইউক্যালিপটাস নামক বিদেশী গাছ লাগায়। স্বল্প সময়ে বাড়ন্ত এসব পরিবেশবিধ্বংসী গাছ দ্রুততম সময়ে পুণরায় তামাক পাতা প্রক্রিয়াজাত করার কাজে ব্যবহার করা যায়। সামাজিক বনায়নের নামে যে কোন বিদেশী গাছ লাগানো বন্ধ করতে হবে। সামাজিক বনায়নে দেশীয় ফলজ, বনজ ও ঔষধী গাছ লাগানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ধরিত্রী দিবসের উৎপত্তি নিয়ে দু’ধরনের বক্তব্য রয়েছে। এক পক্ষ বলছেন, ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউনাইটেড নেশন্স এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক এন্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইউনেস্কো) এর সম্মেলনে যুদ্ধবিরোধী শান্তিবাদী সংগঠক জন ম্যাককোনেল পৃথিবীকে সম্মান করে একটি দিবস করার প্রস্তাব করেছিলেন যা ৭০ সালের ২১ মার্চ ‘আর্থ ডে’ নামে উদযাপিত হয়েছিলো। ম্যাককোনেল এর লিখিত প্রস্তাবনা জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব স্বাক্ষরও করেছিলেন।

আরেক পক্ষ বলছেন, ধরিত্রী দিবসের প্রস্তাবক যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রভাবশালী সিনেটর গেইলর্ড নেলসন। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কালিফোর্নিয়ায় তেল কোম্পানিসহ বিভিন্ন কারখানার কারণে বাতাস ও পানি মারাত্মক দূষিত হয়। ফলে যুদ্ধবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় তরুণপ্রজন্ম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তরুণদের ক্ষোভকে ইতিবাচক কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে গেইলর্ড নেলসন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান পিটে ম্যাকক্লোসলি ও হার্ভার্ড স্কলার ডেনিস হায়েসকে নিয়ে ‘আর্থ ডে নেটওয়ার্ক’ নামে প্রচারণা কর্মসূচি শুরু করেন। এক মাসেরও কম সময়ের প্রচারণায় ২০ মিলিয়ন আমেরিকান বিভিন্ন সড়ক, পার্ক, মিলনায়তনে জড়ো হয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব পৃথিবীর জন্য ৭০ সালের ২২ এপ্রিল ধরিত্রী দিবস পালন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ধনী-দরিদ্র, কৃষক-শ্রমিক, চাকুরিজীবী ও বেকার, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানসহ সব মানুষকে সবরকম দূষণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে তোলে আর্থ ডে। ঐতিহাসিক এ আন্দোলনের ফলে ঐ বছরের শেষদিকে ইউনাইটেড নেশন্স এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন এজেন্সি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং পাস করে ‘ক্লিন এয়ার, ক্লিন ওয়াটার ও এনজেন্ডার্ড স্পেসিস এক্ট’।

বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ধরিত্রী দিবস গুরুত্বসহ উদযাপিত হচ্ছে। কিন্তু দিবস উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ধরিত্রী তথা দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে বিদ্যমান বনজ সম্পদ রক্ষায় কঠোর হতে হবে। দেশী জাতের ফলজ-বনজ ও ঔষুধী গাছ লাগানো নিশ্চিত করে বন আইন ও বন নীতিকে যুগোপযুগী করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, বন সংরক্ষকেরা যেন বনখেকো না হয়, সেটা সর্বাগ্রে নিশ্চিত করা দরকার।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

বিষয়:ধরিত্রী দিবস

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…