বর্ষায় দুর্ভোগে পড়েছেন কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা। অনেক স্থানেই খোলা রয়েছে বেড়িবাঁধ। আবার অনেক স্থানেই বাঁধের চিহ্নও নেই। চরম উৎকন্ঠায় দিন কাটছে হাজার হাজার উপকূলবাসীর।
জেলায় বেড়িবাঁধ রয়েছে ৫’শ ৯৬ কিলোমিটার। গত বছর বর্ষা মৌসুমে ভেঙ্গে যায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বেড়িবাঁধ। আগে খোলা রয়েছে মহেশখালীর ধলঘাটা ও পেকয়ার কাকপাড়া ও টেকপাড়া এলাকার বেড়িবাঁধ।
এসব এলাকার অনেক বাড়ী ঘর মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলে গেছে সাগরগর্ভে। এখন যেটুকু টিকে আছে সেসব এলাকার লোকজন রয়েছে চরম আতঙ্কে।
স্থানীয়রা বলেন, জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষ এখানে পড়ে রয়েছে। এখানে যে বেড়িবাঁধের কোনো সংস্কার নেই। বেড়িবাঁধ যদি না থাকে তাহলে আমরা এখানে থাকবো কি করে? বেড়িবাঁধের খুব প্রয়োজন।
বেড়িবাঁধ সংস্কার না করায় দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে দেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব অংশ, টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপ। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডও।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান বলেন, নদীর ধারে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা জরুরী বুঝে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠাবো।
তবে এ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার দাবি জানিয়েছেন উপকূলবাসী।






