চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি

No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বঙ্গবন্ধু না, যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা-পুর্নবাসন করেছিল জিয়া

সাব্বির হোসাইনসাব্বির হোসাইন
৫:০৪ অপরাহ্ন ০১, সেপ্টেম্বর ২০১৬
মতামত
A A

যুদ্ধাপরাধ হল কোন দেশের বা, জাতির উপর যুদ্ধ চাপিযে দেয়া, যুদ্ধের সময় নিরীহ মানুষকে হত্যা করা, ধষর্ণ করা, বন্দী করা, জোরপূর্বক কাজে নিয়োগ করা, আত্মসমর্পন করা যোদ্ধাকে হত্যা বা নির্যাতন করা, সম্পত্তি বিনষ্ট করা ও প্রকৃতির ক্ষতি সাধন করা। (চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ১৪৭ অনুচ্ছেদ)।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে প্রদত্ত ঘোষণায় স্পষ্ট করে বলেন- একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়ে আন্তরিক ও দৃঢ় অবস্থান গ্রহন করেছিলেন; তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য, পদক্ষেপ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়ে ট্রাইবুনালের যতটা সম্ভব দ্রুত কার্যক্রম পরিচালনা দেখলে তা সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায়।

এবিষয়ে বঙ্গবন্ধুর কয়েকটি বক্তব্য: কেউ দালালদের জন্য সুপারিশ করলে তাকেও দালাল সাব্যস্ত করা হবে – বঙ্গবন্ধু। (দৈনিক পূর্বদেশ – ০১ এপ্রিল, ১৯৭২)।

বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে বিবৃতি দেওয়া ও পাকিস্তান সরকারে যোগ দেওয়া আওয়ামী লীগের গণপরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের ২৩ জনকে বহিষ্কার করেন। (দৈনিক ইত্তেফাক – ১০ এপ্রিল, ১৯৭২)

একাত্তরে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচারের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারী ‘দালাল আইন (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২’ সংসদে পাশ করে। পরবর্তীতে একই বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি, ০১ জুন ও ২৯ আগস্ট তারিখে তিন দফা সংশোধনীর মাধ্যমে আইনটি চুড়ান্ত করা হয়।

এছাড়া, একই বছরের ১৩ জুন সরকারি চাকরিতে কর্মরতদের কেউ একাত্তরে পাকিস্তানের দালালি ও যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল কি-না তা যাচাই করার জন্য একটি আদেশ জারি করা হয়। এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু সরকার’ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য শুরু করেছিল।

Reneta

১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে দালাল আইনের আওতায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত দালালদের  গ্রেপ্তার শুরু হয়, বিচার কার্যক্রম শুরু হয় এপ্রিলে। দ্রুত বিচারের জন্য সরকার সারা দেশে সর্বমোট ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে।

এই বিচারকার্যে ৩৭,৪৪১ জনকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। বিপুল পরিমাণ মানুষ অভিযুক্ত হয়ে পড়ায় ও ব্যাক্তিগত শত্রুতার জের ধরে অভিযুক্তের তালিকায় অনেক নিরীহ মানুষের নাম থাকায় ১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর ‘বঙ্গবন্ধু সরকার’ একটি সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করে।

সাধারণ ক্ষমার সংশ্লিষ্ট নথিতে বলা হয়-
‘Those who were punished for or, accused of rape, murder, attempt to murder or, arson will not come under general amnesty.’

অর্থাৎ, একাত্তরে যুদ্ধের সময় যারা খুন-ধর্ষণ-লুটপাট ও এসবের চেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত ছিল, এমন অভিযোগে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্তরা এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় আসবে না। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার নথির ৫ নং ধারায় আরো স্পষ্ট করে বলা হয়-

যারা নিচে বর্ণিত ধারাসমূহে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত অথবা যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে অথবা যাদের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত ধারা মোতাবেক কোনটি অথবা সব ক’টি অভিযোগ থাকবে, তারা কোনোভাবেই সাধারণ ক্ষমার আওতায় আসবে না।

১২১ : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো অথবা চালানোর চেষ্টা।
১২১ (ক) : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর ষড়যন্ত্র।
১২৮ (ক) : রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
৩০২ : হত্যা।
৩০৪ : হত্যার চেষ্টা।
৩৬৩ : অপহরণ।
৩৬৪ : হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ।
৩৬৫ : আটক রাখার উদ্দেশ্যে অপহরণ।
৩৬৮ : অপহৃত ব্যক্তিকে গুম ও আটক রাখা।
৩৭৬ : ধর্ষণ।
৩৯২ : দস্যুবৃত্তি।
৩৯৪ : দস্যুবৃত্তিকালে আঘাত।
৩৯৫ : ডাকাতি।
৩৯৬ : খুনসহ ডাকাতি।
৩৯৭ : হত্যা অথবা মারাত্মক আঘাতসহ দস্যুবৃত্তি অথবা ডাকাতি।
৪৩৫ : আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে ক্ষতিসাধন।
৪৩৬ :  আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে বাড়িঘর ধ্বংস, কোন যানবাহনের ক্ষতিসাধন অথবা এসব কাজে উৎসাহ দান।

অর্থাৎ, একাত্তরে যুদ্ধাপরাধ তথা, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ও দন্ডপ্রাপ্ত কাউকে ‘বঙ্গবন্ধু সরকার’ ক্ষমা করেনি। এবং সাধারণ ক্ষমার আওতায় তারাই এসেছিল, যারা সুনির্দিষ্ট কোন যুদ্ধাপরাধ করেনি।

এই সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই’ এমন ২৬,৪৪১ জনকে ক্ষমা করা হয়। তৎকালীন প্রকাশিত সরকারি গেজেটের বর্ণনা অনুযায়ী-

দালাল আইনে মোট অভিযুক্ত ব্যাক্তির সংখ্যা- ৩৭,৪৪১ জন। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় ক্ষমা পাওয়া ব্যাক্তির সংখ্যা- ২৬,৪৪১ জন (এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি)।

সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ পাওয়া যায়, এমন অভিযুক্ত ব্যাক্তির সংখ্যা- ১১,০০০ জন (এদের মুক্তি দেয়া হয়নি)। চুড়ান্ত অভিযুক্ত ১১,০০০ জনের মধ্যে ২,৮৪৮ জনের বিচারকার্য সম্পন্ন হয়। এদের মধ্যে ২০৯৬ জন রায়ের অপেক্ষায় ছিল ও বাকি ৭‌৫২ জন অভিযুক্তের বিচারের রায় প্রদানকার্য সম্পন্ন হয়েছিল।

রায় প্রাপ্তদের মাঝে ১৯ জনকে মৃত্যুদন্ড, ৩০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয় ও ৪৮ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয় এবং বাকিরা নানান মেয়াদে কারাদন্ডের সাজা পায়।

অর্থাৎ, দেখা যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু সরকার যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, এমন ১১,০০০ জন অভিযুক্ত ও দন্ডপ্রাপ্ত কাউকেই ক্ষমা করেননি; এদের বিচারকার্য ও দন্ডপ্রদান ঠিকভাবেই চলছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর এসবকিছুই পরিবর্তিত হয়ে যায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর বাংলাদেশে প্রো-পাকিস্তানি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য স্থগিত করা সহ তাদের পুর্নবাসন করা হয়।

১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রো-পাকিস্তানি ‘জিয়াউর রহমান অধীনস্ত সরকার’ পাপেট রাষ্ট্রপতি আবু সাদত মোহাম্মদ সায়েমের মাধ্যমে দালাল আইন বাতিলকরণ অধ্যাদেশ জারী করে।

ফলশ্রুতিতে, পরবর্তীতে পর্যাক্রমে ‘জিয়াউর রহমান অধীনস্ত সরকার’ দালাল আইনে অভিযুক্ত, বিচার চলছিল এমন ও দন্ডপ্রাপ্ত সব মিলিয়ে সর্বমোট ১১,০০০ জন যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি দেয়।

এখানে খেয়াল করার মত একটি  গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ‘দালাল আইন বাতিলকরণ অধ্যাদেশের’ ২য় অনুচ্ছেদের ৩য় উপ-অনুচ্ছেদের ‘ক’-ধারায় বলা হচ্ছে-

‘যারা দালাল আইনে ইতোমধ্যে দন্ডিত হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আপিল করেছে, তাদের ক্ষেত্রে এই বাতিল অধ্যাদেশ প্রযোজ্য হবে না।’

অর্থাৎ, ‘দালাল আইনে’ সাজাপ্রাপ্ত ৭৫২ জনের জন্য ‘দালাল আইন বাতিলকরণ অধ্যাদেশ’ প্রযোজ্য ছিল না।
কিন্তু তারপরও এই দন্ডপ্রাপ্তরা কি করে সাজাভোগ না করে মুক্তি পেয়েছিল আর তাদের মুক্তি দিয়েছিল ‘জিয়াউর রহমান অধীনস্ত সরকার’। এভাবেই, দালাল আইনে অভিযুক্ত ও দন্ডপ্রাপ্ত সকলকেই ‘জিয়াউর রহমান অধীনস্ত সরকার’ মুক্তি দিয়ে দেয়।

এর ফলে, দেশ স্বাধীন হবার পর ‘বঙ্গবন্ধু সরকারের’ উদ্যোগে শুরু হওয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ‘প্রো-পাকিস্তানী সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের’ বিশ্বাসঘাতকতায় বন্ধ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে দীর্ঘ তিনদশক পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার’ উদ্যোগে ২০০৯ সালে পুনরায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা বর্তমানেও চলমান।

সুতরাং এটি স্পষ্ট, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেননি, যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা ও পুর্নবাসন করেছিল জিয়াউর রহমান।

(এ
বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর
সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: জিয়াউর রহমানযুদ্ধাপরাধের বিচার
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ঈদের যে নাটক দেখে দর্শকরা বলছেন ‘জীবনের সেরা নাটক’!

মার্চ ২৫, ২০২৬

ইরান সংঘাত বৈশ্বিক ঝুঁকি তৈরি করছে: ভলকার তুর্কের সতর্কবার্তা

মার্চ ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শিশু নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তি: মেটাকে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

মার্চ ২৫, ২০২৬

তেলের দাম ১৫০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা: ব্ল্যাকরক প্রধান

মার্চ ২৫, ২০২৬

নতুন ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের এক ঝলক!

মার্চ ২৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT