বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএল থেকে প্রতিশ্রুতিশীল নতুন ফুটবলার পেতে চায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। স্থানীয় ফুটবলের প্রতি আবারও মানুষের আগ্রহ তৈরি করাও বিপিএল আয়োজক কমিটির আরেক লক্ষ্য।
পুননির্বাচিত হয়ে ফুটবলে উন্নতির মূল পদক্ষেপ হিসেবে ‘বিপিএল’কে বেছে নিয়েছে ফুটবল ফেডারেশনের কমিটি। ২৪ জুলাই শুরু হবে সপ্তম ‘বিপিএল’।
বিপিএল’র উদ্দেশ্য যেমন জাতীয় ফুটবলারের ঘাটতি মেটানো, তেমনি ফুটবলে পুরোনো আমেজ ফিরিয়ে আনা।
বাফুফে’র সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী বলেন, আমাদের জাতীয় দলের যে সুপার স্টার খেলোয়াড়, এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আমরা নতুন মুখ, নতুন সুপার স্টার দেখতে পাবো। আমরা একটা শক্তিশালী জাতীয় দল দেখতে চাই, যে জাতীয় দল ভালো ফলাফল করবে এবং আমাদের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে শক্তিশালী অবস্থান সৃষ্টি করতে পারব।
এক সময় ক্লাব ফুটবলই মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। সেই ক্লাব ফুটবলকে সুসংগঠিত করতে বিপিএল’কে ভিত্তি মনে করছেন মোহামেডানের হয়ে রেকর্ড গড়া এই সাবেক স্ট্রাইকার।
সালাম মুর্শেদী বলেন, আমাদের হারানো ঐতিহ্য ও হারানো জিনিসগুলো ফিরে পাবো এবং আমাদের অভিভাবকরা নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে ফুটবলে আসতে। আর এই টুর্নামেন্টে যে সব জেলায় অনুষ্ঠিত হবে সেই জেলার তরুন ফুটবলাররাও উৎসাহিত হবে। তারাও নিজেদের জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবে।
প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত ফুটবলার তৈরিতে ব্র্যান্ডিংকেও গুরুত্ব দিচ্ছে ফেডারেশন। বাফুফে’র সিনিয়র সহ-সভাপতি বলেন, আমরা ব্র্যান্ডিংয়ে খুব বেশি জোর দিয়েছি। ফলে যে সব জেলায় খেলা হবে পুরো জেলা জুড়ে ব্র্যান্ডিং, টিভি, রেডিওতে বিজ্ঞাপনসহ পুরো জেলাগুলোকে ফুটবলময় করে সাজানো হয়েছে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ১৩২টি ম্যাচ।







