টানা তিন ম্যাচ জিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করা বাংলাদেশ চতুর্থ ম্যাচে লঙ্কানদের বিপক্ষে ২৪ ওভারে ৮২ রানে অলআউট হয়েছে। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের এটি নবম সর্বনিন্ম রান।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে একবার ২০০২ সালে এসএসসিতে ৭৬ রানে অলআউট হয়েছিল সাকিবরা। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বনিন্ম রান ৫৮, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
তামিম প্রতিদিন উদ্ধার করবেন না। কিংবা প্রতিদিন ভিত গড়বেন না সাকিবও। এদিন এই ‘সত্যে’র মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। পাঁচ ওভারের ভেতর তিন উইকেট ছিল না। সেখান থেকে মুশফিক চেষ্টা করেও ধস ঠেকাতে ব্যর্থ হন। শ্রীলঙ্কা আহামরি কিছু করেনি। পরিচিত ‘রোগ’ পেসভীতিতেই দেখতে দেখতে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
ওপেনার বিজয় রানের খাতা খোলার আগেই পথ ধরেন। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সুরঙ্গা লাকমাল তাকে বোল্ড করেন। আগের তিন ম্যাচে যথাক্রমে ১৯, ৩৫ এবং ১ করেছিলেন। এরপর রানআউট হন ইনফর্ম ব্যাটসম্যান সাকিব (৮)।
তিন ম্যাচে টানা অর্ধশতক করা তামিম এদিন ৫ রান করে ফেরেন। লাকমালের বলে গুনাথিলাকার হাতে ক্যাচ দেন।
রিয়াদ ফেরেন দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে। লাকমালের পরিষ্কার ফাঁদে পা দেন। ডিপফাইন লেগে ফিল্ডার রেখে শট বল করেন। রিয়াদ (৭) পুল করতে যেয়ে সেখানেই ক্যাচ তুলে দেন! মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি ১৮ রান পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
মুশফিক ৫৬ বলে ২৬ করে বিদায় নেন। এরপর সর্বোচ্চ রান সাব্বিরের, ১০। আবুল হাসান রাজু ৭, নাসির ৩, মাশরাফী ১ এবং রুবেল ০ রানে ফেরেন।
লঙ্কান পেসার সুরঙ্গা লাকমাল ৭ ওভারে ২১ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। দুশমন্ত চামিরা ৫ ওভারে ৬ রান দিয়ে দুজনকে ফেরান। আরেক পেসার থিসারা পেরেরা দুই উইকেট নিতে ৬ ওভারে ২৭ রান দেন। হাত ঘোরানো একমাত্র স্পিনার লক্ষ্মণ সান্দাকান দুই উইকেট নেন ২৪ রান খরচায়। তিনি ৬ ওভার বল করেন।
শ্রীলঙ্কা এদিন জিতলে ২৭ জানুয়ারির ফাইনালে সরাসরি বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে।







