বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া ৮১ মিলিয়ন ডলারের
একটি অংশ ফেরত পাওয়ার প্রেক্ষাপটে বাকি অংশও উদ্ধারের ব্যাপারে আশা
প্রকাশ করেছেন ফিলিপিন্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন
গোমেজ।
ক্যাসিনো পরিচালক ও ব্যবসায়ী চীনা বংশোদ্ভূত কিম অং ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ফিলিপিন্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যান্টিমানি লন্ডারিং কাউন্সিলের কাছে হস্তান্তর করার প্রেক্ষিতে তিনি বলেছেন, আমরা আশাবাদী যে সম্পূর্ণ অর্থই উদ্ধার করা যাবে। অংয়ের কাছ থেকে ৪.৬৩ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করা সঠিক দিকেই এগিয়ে যাওয়া।
রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ফিলিপিন্সের প্রশাসনকে সহায়তা করবে উল্লেখ করে জন বলেন, কিভাবে দেশটিতে অর্থ প্রবেশ করলো এবং এতে কারা জড়িত তা নিয়েই নিজস্ব তদন্ত শুরু করবে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের রবিবার (এপ্রিল ৩) দেশটিতে আসার কথা রয়েছে বলে জানান জন। সিআইডি সদস্যরা সোমবার অর্থপাচার বিরোধী পরিষদের (এএমএলসি) অফিসে আসবে এবং পরের দিন অনুষ্ঠিতব্য সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির চতুর্থ শুনানিতে উপস্থিত থাকবে।
ফিলিপিন্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিএসপি’র ভল্টে অংয়ের ফেরত দেয়া অর্থের নিরাপদ সংরক্ষণের বিষয়ে এএমএলসি’র সাথে আলোচনা করবে সিআইডি, জানিয়েছেন গোমেজ।
নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রিজার্ভের অর্থ চীনের হ্যাকাররা চুরি করে নেওয়ার ঘটনায় তা উদ্ধারে সহায়তার জন্য ফিলিপিন্সের সিনেট, এএমএলসি এবং বিএসপি’কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গোমেজ।
রিজাল কর্মাশিয়াল ব্যাংকিং কপোংরেশনের (আরসিবিসি) মাধ্যমে এই অর্থ দেশটিতে প্রবেশ করে এবং তিনটি ক্যাসিনোতে গিয়ে শেষ হয়।










