পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর পরও শহীদদের সমাধিতে অশ্রুসজল স্বজনরা। ওই ট্র্যাজেডির জন্য দোষীদের দ্রুত সুষ্ঠু বিচার চেয়েছেন তারা।
তিন বাহিনী প্রধানসহ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। বিজিবি প্রধান বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ মেজর মোহাম্মদ মমিনুল ইসলামের মা অসুস্থ থাকায় ব্রাক্ষণবাড়িয়া থেকে আসতে পারেননি, তাই স্বজনরা মোবাইলের ভিডিও কলে মাকে দেখান ছেলের সমাধি।
২০০৯ সালে এই দিনেই বিপথগামী জওয়ানদের তাণ্ডবে প্রাণ হারান ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও বনানী সেনা কবরস্থানের সমাধিতেই স্বজনরা এখনও সমাধিতেই খুঁজে ফিরে প্রিয় জনকে।
তারা বলেন, আমাদের নি:স্ব করে দিয়ে চলে গেছে। এখন আপনাদের সবার মতো আমরাও এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। স্বজন হারানোর কষ্ট আমরা বুঝি। এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শহীদদের সমাধীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিন বাহিনী প্রধান।
ঘটনার পর বিডিয়ারের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। বাহিনী প্রধানও জানালেন এধরনের ঘটনা এড়াতে নতুন আইনের কথা।
বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, এই ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন হয়েছে। সেটার শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি। সেজন্য লম্বা কোনো প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে না। মহাপরিচালকের এখতিয়ার থাকবে, তখন বিশেষভাবে ট্রাইব্যুনাল করে তাদের ফাঁসি পর্যন্ত দেওয়া যাবে।
শহীদদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও। স্বজনদের মতো তাদেরও একই দাবি বিচার হোক হত্যাকারীদের।






