আগের দুম্যাচের চাইতে সামান্য দ্রুতগতির ছিল শুরুটা। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘুরতে থাকল রানের চাকা। টপঅর্ডারে সাকিব আল হাসানের লড়াই, মাঝে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঝড়ো ফিফটি, শেষে আফিফ-সাইফের ক্যামিও ইনিংসে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ১৮১ রানের পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ।
বড় সংগ্রহের পথে আফিফ হোসেনের ১৪ বলে ২১ ও সাইফউদ্দিনের ৬ বলে অপরাজিত ১৯ রানের ইনিংস দুটি রেখেছে দারুণ ভূমিকা। আবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ৮ বলে ৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে। নুরুল হাসান সোহান শূন্য রানে আউট হন গোল্ডেন ডাকে।
শেষ তিন বলে দুটি ছয় ও একটি চার মেরে সংগ্রহ বড় করেন সাইফউদ্দিন। থাকেন অপরাজিত। শেখ মেহেদী ২ রানে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে বাংলাদেশ ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৮১ রান। প্রতিপক্ষের জন্য লক্ষ্যটা তাই ১৮২ রানের।
ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে নাঈম শেখ মিডউইকেট ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ দেন। আরেক ওপেনার লিটনের সঙ্গী হন সাকিব। দুজনে মানিয়ে নিতে সময় নেন। প্রথম ৩ ওভারে আসে মাত্র ৯ রান।
পরের তিন ওভারে ৩৬ রান নিয়ে পাওয়ার প্লে’র ঘাটতি পুষিয়ে দেন সাকিব-লিটন। ৬ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৪৫ রান।
দলীয় ৫০ রানে লিটন (২৯) ফেরেন সাজঘরে। ওভার প্রতি রান তোলার হার তখন মাত্র ৭। মুশফিক এসে টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ১১তম ওভারে দলীয় ৭২-এ ফেরেন মি. ডিপেন্ডেবল।
দলীয় শতক পূর্ণ করে আউট হন সাকিব। ৪ রানের জন্য ফিফটি বঞ্চিত হন। টাইগার অলরাউন্ডার ৩৭ বলের ইনিংসে ছয়ের মার ছিল তিনটি।
মাহমুদউল্লাহ ২৭ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে ফিফটি ছুঁয়ে পরের বলে আউট হন। শেষে তরুণ ব্যাটাররা ঝড় তুলে বাংলাদেশকে বাঁচা-মরার ম্যাচে এনে দিয়েছেন বড় পুঁজি।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এটিই সর্বোচ্চ সংগ্রহ কোনো দলের।









