একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারে ২০১০ সালে ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এ পর্যন্ত ১৯টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৬ জন অপরাধী পলাতক রয়েছে।
মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের পলাতক ‘রাজাকার কমান্ডার’ হাসান আলীকে ফাঁসিতে অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।
পলাতক যারা:
বাচ্চু রাজাকার: জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার ফাঁসি দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আজাদের বিরুদ্ধে ৮টি অভিযোগের মধ্যে ৭টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীন: একাত্তরে বাঙ্গালী জাতিকে মেধাশূন্য করতে নীলনকশা বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেওয়া দুই বদর নেতা আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধে এই দুই আসামীর বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের সব গুলোই প্রমাণিত হয়। আশরাফুজ্জামান খান যুক্তরাষ্ট্রে এবং চৌধুরী মুঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যে পালিয়ে আছেন।
খোকন রাজাকার: ফরিদপুরের নগরকান্দার সাবেক পৌর মেয়র জাহিদ হোসেন খোকন ওরফে খোকন রাজাকারের বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়। তাকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে সাজা কার্যকরের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
জব্বার রাজাকার: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার রাজাকার নেতা জব্বার হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী ৫টি অভিযোগের সবগুলোই প্রামাণিত হয়। এর মধ্যে ৪টি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং একটিতে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে ট্রাইব্যুনাল।







