জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমউদ্দিন আহমেদ সামাদ এর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ধর্মঘট পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ আনেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকার অভিযোগ এনে ১৩ এপ্রিল উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের ছাত্র ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমউদ্দিন আহমেদ সামাদ এর হত্যাকারীরা গ্রেফতার না হওয়ায় অর্ধ দিবস ধর্মঘট করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে তারা খুনীদের শনিবার রাত ১২টা মধ্যে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, জনসম্মুখে এত বড় একটা ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও কেনো বিচার হচ্ছে না। এর আগেও খুন হয়েছে, সরকার কিছুই করতে পারেনি।
ধর্মঘটে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষকরা। তারা বলেন, এত বড় নৃশংস ঘটনা মেনে নেয়া যায়না। যারা আন্দোলন করছে তারাও তো আমাদেরই সন্তান। আমরা দাবি করতে পারি সরকারের কাছে যেনো দ্রুত খুনীদের ধরা যায়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যায়।
ছাত্র ধর্মঘট শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। আগামী ১৩ তারিখ উপাচার্য ভবন ঘেরাও কর্মসূচী আমাদের। আমরা উপাচার্যের কাছে জবাবদিহিতা চাই।
ধর্মঘটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মিছিল-সমাবেশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।








