বছরের বেশিরভাগ সময় পার করেন ধারাভাষ্যকক্ষে। কখনো ক্রিকেট, কখনো ফুটবলে। কখনো অন্য খেলায়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ানের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি মোঃ সামসুল ইলামের দিন-রাত জুড়ে থাকে ওই ধারাভাষ্যই। এবার তিনি ২০১৭ সালের ল্যাব নির্বাচনে আকবর-আনোয়ার-তুষার প্যানেল থেকে যুগ্ম মহাসচিব পদে লড়ছেন।
৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতির এই নির্বাচন।
দেশের বাংলা ক্রীড়া ধারাভাষ্যে সামসুল ইসলাম এই প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় এক নাম। বাংলা ধারাভাষ্যকে টিকিয়ে রাখতে আলফাজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত, কুমার কল্যাণ, সাইদুর রহমান এবং এই সামসুল ইসলামের অবদান অনেকখানি।

সামসুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বিজ্ঞান এবং গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৫ম (১৯৯৬-৯৭) ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। ১৯৯৯ সালে স্নাতক (দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ) এবং ২০০০ সালে স্নাতকোত্তর ( প্রথম শ্রেণীতে ২য় স্থান) ডিগ্রি লাভ করেন। রাজশাহীর এই কৃতি সন্তান ছাত্র জীবনে ছিলেন একজন পেশাদার ক্রিকেটার। ক্রিকেট আম্পায়ারিংয়েও এক সময় সম্পৃক্ত ছিলেন। করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিকতাও।
কর্মজীবনের শুরুতে গ্রন্থাগারিক হিসেবে শাহবাগস্থ গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরে একবছর কাজ করেছেন।
ল্যাব নির্বাচনে জয়ী হতে সামসুল ইসলাম বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘আমি এবং আমার প্যানেল ল্যাব নির্বাচন ২০১৭তে জয়ী হলে গ্রন্থাগার পেশাজীবীদের বিরাজমান সমস্যা যেমন – স্কুল কলেজ মাদ্রাসার গ্রন্থাগারিকদের পদমর্যাদা, বেতন কাঠামোতে সমরূপতা আনয়ন, পেশার মান উন্নয়ন, ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি কাজগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করবো। এছাড়া এজিএমের মাধ্যমে সদস্যদের সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করে সকলের সহায়তায় ল্যাবকে কার্যকর করে নতুন নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।’








