রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় ডিবি’র সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ওসি সালাউদ্দিন আহমেদ খান নিহত হয়েছেন।
ইউনাইটেড হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। এছাড়াও আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। সন্ত্রাসীদের কবলে এখনো রেস্টুরেন্টে জিম্মি রয়েছেন ২০ জন দেশি বিদেশি নাগরিক।
গুলশানের এমন নারকীয় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাক্তার আলীম চৌধুরীর কন্যা ডাক্তার নুজহাত চৌধুরী। তিনি লিখেছেন, শুরু হল বাংলাদেশের জন্য নতুন এক কালো অধ্যায়। এর প্রথম শহীদ সালাহউদ্দিন ভাই। বনানী থানার ও সি। সালাহউদ্দিন ভাই আমাকে একদিন বলেছিলেন, তাঁর জান থাকতে আমরা যারা বনানী-গুলশান থাকি তাদের কোন বিপদ হবে না। তিনি তাঁর কথা রেখেছেন। আমাদের এখন কি করা উচিৎ?
সালাহঊদ্দিন ভাই-এর এই হত্যার জন্য কি প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করা উচিৎ? অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মারুফ হাসান ভাই আহত। এদের সবার আমাদের নিরাপত্তা দেবার কথা ছিল। এই সাহসী মানুষ গুলোকে ওরা মেরে ফেলছে, আহত করছে। খুনীরা নাকি ‘আল্লাহু একবার’ বলতে বলতে গুলি করছিলো। আল্লাহ্, তোমার পবিত্র নাম ব্যবহার করে এমন অমানবিক সন্ত্রাস করার অধিকার ওদের কে দিয়েছে?
যারা ভিতরে জিম্মি আছেন তাদের অবস্থা, তাদের পরিবারের কি অবস্থা ভাবতেই পারছি না। কি করলে বাংলাদেশকে রক্ষা করা যাবে এই হত্যায় উন্মত্ত ধর্মান্ধ শয়তানদের হাত থেকে? যারা ইনিয়ে বিনিয়ে এদের সমর্থন দেন তারা এখনও বুঝবেন না?
দেশ আফগানিস্তান-পাকিস্তান হয়ে যাবে তাও এদের চোখ খুলবে না? আর কত ক্ষতি হলে আমাদের ঘুম ভাঙ্গবে? আমরা কবে এক হয়ে এই শয়তানদের মুঠি চেপে ধরে বাংলার মাটি থেকে মূল উৎপাটন করবো?








