তামিম ইকবালের অপরাজিত ৮৩ রানের পর বোলারদের নৈপূণ্যে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৮ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম জয়।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে বুক চিতিয়ে লড়ে চার বছর পর আবারও টি২০তে অর্ধশত রানের দেখান পান তামিম ইকবাল। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মধ্যে এক প্রান্ত আগলে খেলে তামিম সংগ্রহ করেন ৮৩ রান।
তামিম বাদে অন্য কোন ব্যাটসম্যানই ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে১৫৩ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে, ওয়েসলি বারেসিকে শুরুতেই হারিয়ে বসে নেদারল্যান্ডস। আল আমিন হোসেনের বলে ডিপ ওয়েসলি বারেসিকে তালুবন্দী করেন আরাফাত সানি।
আল-আমিনের পর টাইগারদের দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। স্টিফেন মাইবার্গকে সরাসরি বোল্ড করেন তিনি। স্কোর বোর্ডে রান তখন ৫৩।
১২তম ওভারে বেন কুপারকে ফেরান সাকিব আল হাসান। সকিবের বলে তিনি বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।
বেন কুপারের পর পিটার বোরেনকেও ফেরান সাকিব আল হাসান। সীমানার কাছে কুপারের ক্যাচ নেন নাসির হোসেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১১২।
এরপর একে একে ভ্যান ডার মারউই-টম কুপার ফিরে গেলে ৮ রানের জয় পায় টাইগাররা।
তবে শুরুটা দুর্দান্ত করার ঘোষণা ছিলো তামিম-সৌম্যের ব্যাটে। ওপেনিং জুটিতে ১৮ রান তুলে নেওয়া পার্টনারশিপে ১৫ রানই ছিলো সৌম্যের।
চতুর্থ ওভারের শুরুতেই সৌম্য সরকার পল ভ্যান মেকিরিনের শিকার হলে বিপর্যয়ের শুরু। এরপর দলের সব চেয়ে বড় তামিম-সাব্বিরের ব্যাটে। তাদের জুটি থেকে আসে ৪৮ রান। ভ্যান ডার মারউই’র বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ার আগে সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান।
এরপর মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে এলেও এশিয়া কাপের টানা চার ম্যাচ নট আউট থাকার রেকর্ড আর বাড়াতে পারেননি। ১৫তম ওভারে তামিমের সঙ্গে ৩৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ।
তার বিদায়ে মুশফিক, নাসির, মাশরাফি উইকেটে এলেও উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৫৩ রানে। তামিম ইকবাল ৮৩ রানে।
ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন তামিম ইকবাল।







