আন্তর্জাতিক

ধর্মকে অবশ্যই পুরো দেশের প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি রাজ্যে ‘সংখ্যালঘু সুবিধা’ দেয়ার আবেদন খারিজ

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট-ধর্মের সীমানা নেই

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, ধর্মের কোনো ভৌগলিক সীমারেখা নেই এবং একে অবশ্যই সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে।

দেশের কয়েকটি রাজ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যায় কম। সেসব রাজ্যে তাদেরকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিসেবে বিশেষ সুবিধা দেবার আবেদন জানিয়ে করা একটি পিটিশন খারিজ করে মঙ্গলবার আদালত এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি এস এ বোবড়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ বলেছেন, এক্ষেত্রে কোনো নির্দেশনা দেয়া যাচ্ছে না। পিটিশনকারী বিজেপি নেতা এবং আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়কে আদালত বলেন, কোনো গোষ্ঠীকে সংখ্যালঘু ঘোষণা করার দায়িত্ব সরকারের, আদালতের নয়।

এনডিটিভি জানায়, এই পিটিশনটি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রণীত ২৬ বছর পুরনো তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, যে তালিকায় দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী হিসেবে পারসি, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ এবং বৌদ্ধ – এই পাঁচ ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আদালত বলেন, ‘ভাষা হয়তো রাজ্যভেদে সীমাবদ্ধ… কিন্তু ধর্মের কোনো রাজ্য-সীমা নেই। এক্ষেত্রে আমাদের পুরো ভারতের প্রেক্ষাপট দেখতে হবে। লক্ষদ্বীপে তো মুসলিমরা হিন্দু আইন অনুসরণ করে।’

‘আমরা আপনার (পিটিশনার) সঙ্গে একমত নই। আমরা এক্ষেত্রে কী নির্দেশনা পাস করতে পারি? কোনো আদালত আজ পর্যন্ত কাউকে সংখ্যালঘু ঘোষণা করেননি… এটা সরকারের কাজ।’

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট ভারতের অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে ভেনুগোপালের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। ওই সময় অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে জানান, আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘু। এই আটটি অঞ্চল হলো: পাঞ্জাব, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লক্ষদ্বীপ।

বিষয়:ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…