বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জেলে বন্দী রেখে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি পাতানো নির্বাচন সম্পন্ন করতেই সরকার দ্রুত বিচার আইনে শাস্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ড্যাব আয়োজিত জিউয়ার রহমানের ৩৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘শহীদ জিয়া, গণতন্ত্র ও বর্তমান প্রেক্ষপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন অভিযোগ করেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবীর রিজভী।
মির্জা ফখরুল বলেন, অগণতান্ত্রিক, অবৈধ সরকার জানে নিরপেক্ষ সহায়ক কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে আওয়ামী লীগ কখনো ক্ষমতায় যাবে না।তাই আগামী নির্বাচন নিজেদের অনৈতিক লিস্পা পূরণের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে চায়।আগের দ্রুত বিচার আইনে শাস্তির মেয়াদ ২-৫ বছর ছিলো যাকে ২-৭ বছর বৃদ্ধি করে সরকার বিরোধী দলের ওপর নিপীড়ন চালাতে চায় বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব সরকারকে হুশিয়ার করে বলেন, ভালো ভালোই একটি নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। তা না হলে অতীতে একনায়কদের জীবনে যা ঘটেছে ঠিক তাই ঘটবে।
প্রসঙ্গত, সরকারের মন্ত্রীসভায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী বিভিন্ন অপরাধের (দ্রুত বিচার আইন) জন্য শাস্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এত দিন এই অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন দুই থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সাজা দেওয়া হতো। এখন সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে সাত বছর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অর্থদণ্ড থাকছে।










