পাকিস্তান সফরে প্রথম টেস্টের মাঝেই সাকিবকে হত্যা মামলার আসামী করা হয়। ক্রিকেট থেকে বাদ দিয়ে এ ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে আনার লিগ্যাল নোটিশও পাঠানো হয় বিসিবি বরাবর।
এরপর ফারুক আহমেদ জানান প্রথম টেস্টে ও দ্বিতীয় টেস্টের মাঝে যেহেতু লম্বা বিরতি আমরা পরে সিদ্ধান্ত জানাব।
সাকিবের ব্যাপারে যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড সেটি পরিষ্কার করেছেন বিসিবির নতুন সভাপতি, ‘আমাদের অবস্থান হচ্ছে সাকিব যতক্ষণ না দোষী প্রমাণিত হচ্ছে, ততক্ষণ আমাদের কিছু বলার নেই। সাকিব এভাবেই খেলে যাবে। বিসিবিতে যে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, সেটির উত্তরে আমাদের অবস্থান জানিয়েছি।
ফলে ৩০ আগস্ট শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে বাধা নেই সাকিবের। রাওয়াপিন্ডিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বল হাতে অবদান রাখেন এ অলরাউন্ডার।
এমন একজন পারফর্মারকে ক্রিকেটে আরও সময় দেখতে চায় বিসিবি। ‘মিথ্যা মামলা’ বলে দাবি তুলেছেন সাকিবের সতীর্থরা। দেশে যখন রক্তপাত শুরু হয় সাকিব তখন কানাডা লিগে খেলছিলেন।








