চট্টগ্রাম থেকে: চার দিনেই শেষ হয়ে গেল চট্টগ্রাম টেস্ট। প্রথম তিন দিনের ব্যাটিং সহায়ক উইকেট চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই হয়ে উঠল ব্যাটসম্যানদের ফাঁদ! যে দিনটাতেই কিনা দ্বিতীয় ইনিংস শুরু বাংলাদেশের। অস্ট্রেলিয়া শেষ উইকেট নিয়ে মাঠে এসে সকালে কোনও রান যোগ করতে পারেনি। লিড সেই ৭২-ই থাকল। পরে অসমান বাউন্স-টার্নের উইকেটে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের সামনে ওই লিডটা বোঝার মত চাপল।
সেই চাপ নিয়ে বেশিদূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশ। অলআউট ১৫৭ রানে। তাতে অজিদের লক্ষ্য দেয়া গেল একশরও কম, ৮৬। তিন উইকেট হারিয়ে সেটা টপকে গেছে সফরকারীরা। ১-১ সমতায় শেষ সিরিজ।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম হারের কারণ হিসেবে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়াকেই সামনে আনলেন, ‘এই টেস্টে সেকেন্ড ইনিংসের চেয়ে প্রথম ইনিংসে আমাদের জন্য অনেক বড় রোল প্লে করেছে। আমরা যেখানে অনেকটা পিছিয়ে ছিলাম। এমন ফ্ল্যাট উইকেটে, প্রথম দিনে যেরকম ছিল, এমন কোনও স্পিন ছিল না যা আনপ্লেয়েবল বা রিস্কি। ওই জায়গায় আমরা অনেকখানি পিছিয়ে পড়েছি। প্রথম ইনিংসে যদি চারশর কাছাকাছি করতে পারতাম, হয়ত ১৫০ রানের লিড দিতে পারতাম। সেটা দিলে অন্যরকম হতে পারত।’
শেষের দিকে উইকেট ভাঙবে তা জানাই ছিল। তারপরও ব্যাটসম্যানের আরেকটু লড়াই আশা করেছিলেন মুশফিক। দুই ইনিংসে ১৩ উইকেট নিয়ে অজি অফস্পিনার নাথান লায়নই আসল পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছেন। মুশফিকও সেটাই সামনে আনলেন।
‘এই উইকেট থেকে যতটুকু সুবিধা পাওয়ার কথা সেটা আমাদের চেয়ে অস্ট্রেলিয়াই বেশি কাজে লাগাতে পেরেছে। লায়ন একমাত্র বোলার যে কিনা দুর্দান্ত ছিল। এখান থেকে সুবিধা নিতে পেরেছে ভালোভাবেই। আমাদের ব্যাটসম্যানদের কাজটাতাতে কঠিন হয়ে গেছে। কিছু আউট ছিল দুর্ভাগ্যজনকও। এমন দুই-তিনটা আউট আছে। তারপরও মনে করি, প্রদর্শনটা ভালো হলে আরও একটা-দুইটা সেশন খেলা যেতো।’
ছবি: সাকিব উল ইসলাম










