দেশের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এমন কোন চুক্তি কিংবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর না করার জন্য প্রধনামন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ন্যানশনাল পিপলস পার্টি আয়োজিত ‘নির্বাচনকালীন’ সহায়ক সরকারের দাবি ও জঙ্গিবাদ দমনে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মওদুদ আহমেদ এই আহ্বান জানান।
মওদুদ বলেন, শুনতে পাচ্ছি ভারতের সঙ্গে অনেকগুলো চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে। প্রতিরক্ষা বিষয়েও দুটি চুক্তি হবে। কিন্তু চুক্তিতে কি থাকছে তা বলা হচ্ছে না। চুক্তিতে কি থাকছে স্পষ্ট করুন। দেশের স্বার্থবিরোধী কোন চুক্তি করবেন না।
তিনি অারো বলেন, চুক্তি কিংবা সমঝোতা স্মারক সই একই কথা। দুটিতেই কমিটমেন্ট রক্ষা করতে হয়। কাজেই এমন কোন চুক্তি করবেন যার দ্বারা দেশের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা আরো হ্রাস পায়। এমন কোন চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক দেশের মানুষ মানবে না।
এসময় মওদুদ আহমেদ কুমিল্লার সিটি নির্বাচন নিয়ে বলেন, সিটি করপোরেশন আর জাতীয় নির্বাচন এক নয়। কুসিক নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। আগামীতে নিরপেক্ষ সহায়ক ছাড়া কোন নির্বাচন হতে পারবে না।
দেশে রাজনীতি ও গণতন্ত্র নেই বলেই জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনুন তাহলে জঙ্গিবাদ থাকবে না মন্তব্য করে মওদুদ সরকারকে সংলাপ ও সমঝোতার প্রস্তাব দেন।
আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের তীব্র বিরোধীতা করে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি প্রণব মুখার্জির জন্য ৩০ কেজি ইলিশ, মোদির জন্য লুঙ্গি, পাঞ্জাবী যাই নিয়ে যান তাতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব নিয়ে যেতে পারবেন না।
এসময় রিজভী ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ভারত একটি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক দেশ হওয়া সত্তেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক না করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্ক করছে। এটি ভারতের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না।








